আজকালের প্রতিবেদন: ‌‌‌‌‌‌‌‌ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন পশ্চিমবঙ্গে ১১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। পারাদীপ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আসবে। খড়্গপুরে হচ্ছে এলপিজি–‌র নতুন বটলিং প্ল্যান্ট। এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগম খড়্গপুরে ইন্ডিয়ান অয়েলকে জমি দিয়েছে। ২০২০ সালের মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। কর্মসংস্থানও হবে প্রচুর।
এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘‌ইনফ্রাস্ট্রাকচার ক্যাপাসিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’‌।‌ হলদিয়া তৈল শোধনাগারকে আরও উন্নত করা হচ্ছে। এর জন্য খরচ হবে ৪ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। পারাদীপ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আনতে খরচ হবে ৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। এই পাইপলাইন যাবে কল্যাণী হয়ে দুর্গাপুরে। ভবিষ্যতে বজবজ এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট পর্যন্ত এই পাইপলাইন সম্প্রসারিত হবে। এখন পারাদীপ থেকে লরিতে গ্যাস সিলিন্ডার আসে।  ৭ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি হয়। এই সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ হবে। ‌অর্থাৎ এখন যেখানে বছরে ৭৫ লক্ষ টন তেল উৎপাদন হয়, সেটি বাড়িয়ে ৮০ লক্ষ টন করার পরিকল্পনা নিয়েছে সংস্থা। জ্বালানির মান বিএস–৪ থেকে বিএস–৬ করা হবে। এর জন্য আরও ৩ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ইন্ডিয়ান অয়েল। ২০২০ সাল থেকে এখানেও উৎপাদিত জ্বালানির মান হবে বিএস–৬।  ইন্ডিয়ান অয়েল সূত্রে জানা গেছে, হলদিয়া তৈল শোধনাগারের তেল উৎপাদনের ক্ষমতা বাড়াতে এবং তেলের গুণমান বাড়াতে মোট ৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বিএস–৬–‌তে সালফার কম থাকে। তাতে পরিবেশ দূষণ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্রও ২০২০ সাল থেকে সারা দেশে বিএস–৬ মানের তেল উৎপাদন করার লক্ষ্য নিয়েছে।
পারাদীপ–দুর্গাপুর ছাড়াও আরও কয়েকটি পাইপলাইনের মধ্যে দিয়ে গ্যাস, অপরিশোধিত তেল, বিমানের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি আসবে রাজ্যে। এর মধ্যে একটি দিয়ে হাওড়ার মৌড়িগ্রাম থেকে বিমান জ্বালানি আসবে কলকাতা বিমানবন্দরে। ওডিশা থেকে হলদিয়া পর্যন্তও থাকছে একটি পাইপলাইন। এর মাধ্যমে আনা হবে প্রাকৃতিক গ্যাস। এছাড়াও হলদিয়া থেকে একটি পাইপলাইন দিয়ে পারাদীপ হয়ে বারাউনিতে পাঠানো হবে অপরিশোধিত তেল।

জনপ্রিয়

Back To Top