আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত সহকারী শিক্ষক। কিন্তু হাজিরার খাতায় সই রয়েছে প্রত্যেকদিনের। কিন্তু কীভাবে সম্ভব তা?‌ অনুপস্থিত থাকা একজন শিক্ষক রোজ সই করলেন কীভাবে?‌ সম্প্রতি সামনে এসেছে কালিয়াগঞ্জের পশ্চিম রামপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনা। জানা গিয়েছে, প্রধান শিক্ষক নিজেই এতদিন রাসু পোদ্দার নামে ওই শিক্ষকের হয়ে হাজিরা খাতায় সই করে এসেছেন। খবরটি প্রকাশ্যে আসতে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন  কালিয়াগঞ্জের বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া। এদিকে,  প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নিলে স্কুলে তালা লাগিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দিনের পর দিন প্রধান শিক্ষক যখন যা খুশি তাই করে যাচ্ছেন। অথচ প্রশাসনিক কর্তাদের এব্যাপারে কোনও নজর দিচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, প্রধান শিক্ষকের ব্যবহার ও মুখের ভাষাও খারাপ। স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রতিদিন কমছে। যেদিন থেকে স্কুলের দায়িত্ব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিকাশ চক্রবর্তীর হাতে গিয়েছে, সেদিন থেকে পড়াশোনারও মানও পড়ে গিয়েছে গেছে। স্কুলে ৬০ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। এর মধ্যে রাসু পোদ্দার নামেও ওই শিক্ষক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে আসছেন না। অথচ গত দুমাস ধরে স্কুলের হাজিরা খাতায় তাঁর সই রয়েছে। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বিকাশ চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে জানান, মানবিকতার খাতিরে সহকারি শিক্ষকের হয়ে তিনি সই করেছেন। এখন দেখার ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন।

জনপ্রিয়

Back To Top