বিজয়প্রকাশ দাস, পূর্ব বর্ধমান: প্রথমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো। তার পর মোবাইলে ওই যুবতীকে ক্রমাগত উত্ত্যক্ত করা এবং পুলিশ আধিকারিক সেজে ভয় দেখানো। এইসব অভিযোগের ভিত্তিতে ওই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান মহিলা থানার পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের কালনা গেটের বাসিন্দা সুদীপ দাসকে গ্রেপ্তার করে শনিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। 
ইছলাবাদ বিধানপল্লীর ওই যুবতী পুলিশের কাছে অভিযোগ করে জানান, সপ্তাহখানেক আগে বান্ধবীর সঙ্গে কাজ থেকে টোটোয় চেপে বাড়ি ফেরার সময় এক ব্যক্তি একপ্রকার জোর করেই তঁাদের সঙ্গে আলাপ করে। যুবতীর বান্ধবীর কাছ থেকে তঁার মোবাইল নম্বর নিয়ে প্রথমে তঁাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। পরে ওই ব্যক্তি নিজেকে প্রথমে একটি নামকরা চ্যানেলের মেকআপ শিল্পী বলে পরিচয় দেয়। এর পর যুবতীর মোবাইলে ফোন করে দেখা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। ক্রমাগত ফোন করে উত্ত্যক্ত করায় ওই যুবতী নিষেধ করেন। কিন্তু তার পরও সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশ আধিকারিকের পোশাক পরা একটি ছবি পাঠিয়ে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে যুবতীকে ভয় দেখাতে শুরু করে অভিযুক্ত। অভিযোগ, সেই সময় যুবতীকে নানা প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তাতে ওই যুবতী রাজি না হওয়ায় তঁাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। শুরু হয় গালিগালাজ। এর পর ওই যুবতী দাদা ও দাদার বন্ধুদের সাহায্যে সুদীপকে ধরে ফেলে। তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ধৃত সুদীপ নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। এদিন তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top