আজকাল ওয়েবডেস্ক: সবচেয়ে যেন বিপর্যস্ত অবস্থা হিঙ্গলগঞ্জের। কারণ এখানে‌ ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সব তছনছ করে দিয়েছে। যার জেরে এখন বিদ্যুৎ নেই এখানে। ভেঙে পড়েছে প্রায় ৫০০ বিদ্যুতের খুঁটি। জল সরবরাহ বন্ধ। গোটা হিঙ্গলগঞ্জে দুর্বিষহ অবস্থা। বুলবুল আছড়ে পড়ার আগেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। পানীয় জল সরবরাহ এবং অন্যান্য পরিষেবা শিকেয় উঠেছে। 
এই পরিস্থিতির মধ্যেই জেনারেটর চালিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে নেওয়া হচ্ছে ১০ টাকা। কোথাও ২০ টাকা। বিদ্যুৎ না থাকায় জল সরবরাহ বন্ধ র‌য়েছে। ফলে চরম অসুবিধায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এন্যদিকে সবজির খেতে পচন ধরেছে। ফলে আগুন হতে পারে সবজি বাজার। লংকা, শাক, কপি, বেগুন, মুলো, পটলের মতো আনাজ সবজি দাম বাড়বে। এই আশঙ্কা করছেন সবজি চাষীরা। 
বুলবুলের দাপটে কোথাও ধান জলে ডুবেছে, কোথাও জমিতে পচন ধরেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আমন ধান কাটার মরসুম। কোথাও কোথাও ধানে পাক ধরেছিল। এসব ধান নষ্ট হবে বলেই চিন্তিত কৃষকরা। তবে সতর্ক করে এদিন মমতা বলেন, ‘‌সুযোগসন্ধানী লোক এই সময় ঘুরে বেড়াবে। খেলা শুরু করবে। নজর রাখতে হবে। শান্তি রাখতে হবে।’‌ বৈঠকে মমতা চন্দ্রবোড়া সাপে কাটার ওষুধ ঠিকমতো আছে কি না সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘‌এখানে কিন্তু কালাচ সাপও আছে। আইসিডিএস–‌কেও কাজে লাগানো হবে। গরিব সরকার। টাকা কোথা থেকে আসবে, তাও আপনাদের ভাবতে হবে।’‌ ‌‌বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বসিরহাটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top