আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘‌দিদিকে বলো’‌–র পাল্টা কর্মূসচি নিল রাজ্য বিজেপি। যদিও তাতে নতুনত্ব কিছু রইল না। নামও প্রায় এক। ‘‌দাদাকে বলুন’‌। অর্থাৎ তৃণমূল তথা মমতা ব্যানার্জির কর্মসূচির নকল করেই জনসংযোগ বাড়ানোর দিকে নজর দিল রাজ্য বিজেপি। ঘটা করে যে প্রশান্ত কিশোরের সমালোচনা করেছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। সেই প্রশান্ত কিশোর এবং মমতা ব্যানার্জির দেখানো পথেই হাঁটল তাঁরা। ‘‌দিদিকে বলো’‌–র পাল্টা ‘‌দাদাকে বলুন’‌। আর তাতে মুখ হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।
পাখির চোখ ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন। তাই রাজ্যজুড়ে জনসংযোগ বাড়াতে ‘‌দিদিকে বলো’‌ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাধারণ মানুষ নিজেদের অভাব–অভিযোগের কথা সরাসরি জানাতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে। এবার তারই পাল্টা হিসেবে বিজেপির এই কর্মসূচি। জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্দেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। চায়ের আড্ডায় কথা বলবেন জনসাধারণের সঙ্গে। শুনবেন তাঁদের অভাব–অভিযোগের কথা। এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এই জনসংযোগ কর্মসূচি। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই স্থির হয়ে যাবে নির্ঘণ্ট। কোন দিন, কখন, কোথায় যাবেন দিলীপ ঘোষ। তারপর জোরকদমে চলবে প্রচার। বিজেপির পক্ষ থেকে ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। দলের নেতাদের বক্তব্য, ফোনে বা ওয়েবসাইটে নয়, ‘‌দাদাকে বলুন’‌ কর্মসূচিতে সরাসরি সাধারণ মানুষের মুখ থেকেই তাঁদের অসুবিধা–অভাব–অভিযোগের কথা শুনবেন দিলীপ ঘোষ। যদিও সাধারণ মানুষেরই বক্তব্য, এটা আসলে ‘‌দিদিকে বলো’–র নকল। তবে তাতে পাত্তা দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,‌‘‌ ‌আমি সারা বছর যেখানেই যাই, নিয়মিত জনসংযোগ করি। এটা নতুন কিছু না। শুধু এর একটা নাম দেওয়া হল।’‌ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের মুখ কে হবে তা নিয়ে জনমানসে কোনও ধারণা তৈরি হয়নি। সেই লক্ষ্যেই দিলীপ ঘোষকে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলতে ধরতেই এই পাল্টা কর্মসূচি বিজেপির। ‌
মমতা পথ ধরলেন দিলীপ ঘোষ, ‘‌দিদিকে বলো’‌ সামলাতে এবার চায়ের দোকানে তিনিও‌

জনপ্রিয়

Back To Top