আজকালের প্রতিবেদন- এবার রেকর্ড পরিমাণে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ৯ লক্ষ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা গেছে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, ‘‌লকডাউন যখন কড়াভাবে পালন করা হচ্ছিল, সেই সময় কৃষকরা ধান বিক্রি করতে পারেননি। কৃষকদের কিছু ছাড় দেওয়ায় তাঁরা ধান বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন। জ্যোতিপ্রিয় বলেন, কৃষকরা গ্রামে ঢুকতে দিচ্ছেন না। হাইওয়ের ওপর এসে তাঁরা ধান বিক্রি করছেন সরকারের লোকজনদের কাছে। করোনা সংক্রমণের ভয়েই তঁারা গ্রামে বাইরের কোনও লোককে গ্রামে ঢুকতে নিষেধ করেছেন। তাঁরা চেকও নিচ্ছেন না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যে ‘‌অন্নদাত্রী’‌ অ্যাপ তৈরি করেছেন, তার মাধ্যমে জানা যাচ্ছে কৃষকদের নাম–ঠিকানা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের একটি করে এসএমএস করছেন। তিনি লিখছেন, ‘‌আপনারা সরকারের কাছে যে ধান বিক্রি করেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের ধানের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।’‌ খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর এই এসএমএস পেয়ে কৃষকরা অভিভূত।’‌
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌পরিযায়ী শ্রমিকদের ৫ কেজি করে চাল দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তাঁরা এই চাল পেতে শুরু করেছেন। কিন্তু সমস্যা হল, পরিযায়ী শ্রমিকদের চাল পাঠাতে কেন্দ্র অহেতুক দেরি করছে। তাড়াতাড়ি না পাঠালে সমস্যা হবে। এক মাসের জন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন চালের প্রয়োজন হচ্ছে। অথচ আমরা ৪ লক্ষ ৯২৮ মেট্রিক টন চাল পেয়েছি। চানা (‌ছোলা)‌ আমাদের প্রয়োজন ১ মাসে ১ লক্ষ ৪৫৩ মেট্রিক টন। সেখানে পেয়েছি ৬৭৪ মেট্রিক টন। আমফান ঝড়ে সাড়ে ৩ হাজার কুইন্টাল চাল নষ্ট হয়েছে। গোডাউনের ছাদ উড়ে যাওয়ায় বৃষ্টির জলে এই চাল নষ্ট হয়ে যায়। ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার চাল নষ্ট হয়ে গেছে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top