আজকালের প্রতিবেদন: ডেঙ্গি ধরা পড়লেই কলকাতা পুরসভাকে জানান। পুরসভার সঙ্গে সমন্বয় রাখার আবেদন জানালেন মেয়র পারিষদ (‌স্বাস্থ্য)‌ অতীন ঘোষ। অন্যদিকে, শহরে ফের জ্বরে মৃত্যু হল ১১ বছরের এক কিশোরের। মৃতের নাম আরুষ দত্ত। বাড়ি উত্তর কলকাতার প্যারীমোহন সুর লেনে। কিছুদিন ধরেই সে জ্বরে ভুগছিল।  স্থানীয় এক নার্সিংহোমে চিকিৎসাও চলছিল তার। সোমবার রাতে মুকুন্দপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই কিশোরের মৃত্যু হয়। শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলে হাসপাতালের দাবি। এনএস–১ পজিটিভ পাওয়া গেছে। যদিও পরিবারের দাবি ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে সিভিয়ার ডেঙ্গি ফিভার বলে উল্লেখ রয়েছে।
কিশোরের মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মেয়র পারিষদ এদিন জানিয়েছেন, ‘‌ওই পড়ুয়াকে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এলাইজা পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল। ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু তা জানানো হয়নি। শহরবাসীকে বারবার বলা হচ্ছে, ডেঙ্গি ধরা পড়লেই কাছের পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জানান। খবর পাওয়া মাত্রই পুরসভার চিকিৎসক দল সেখানে পৌঁছে যাবেন। নজর রাখবেন রোগীর ওপর। পুরসভার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না দেখবেন পুর চিকিৎসকেরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বেসরকারি হাসপাতালে পুর স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না। মশাবাহিত রোগ চিকিৎসা নিয়ে পুর কর্মশালাতেও বেসরকারি চিকিৎসকদের উপস্থিতির হার কম।’‌ ডেঙ্গি–আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকে এক–তৃতীয়াংশ কমেছে দাবি পুরসভার। সচেতনতা বাড়াতে তিনি জানান, ডেঙ্গি–সচেতনতা বাড়াতে পাড়ায় পাড়ায় যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। উৎসবের মরশুমে সতর্কতার জন্য পুজো কমিটিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দপ্তর তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানান এক অফিসার। সচেতনতার প্রচার চালানো, বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, মশার লার্ভা নষ্ট–সহ বিভিন্ন কাজ চলছে।

জনপ্রিয়

Back To Top