আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রাজ্যে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ অভিযান। সাহস জোগাতে টিকাকরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‌টিকা নিন, কোনও ভয় নেই। আমিও নিয়েছি।’‌ কোভিশিল্ডের দু’‌টি ডোজ আগেই নিয়েছিলেন কলকাতার মহানাগরিক। কিন্তু কর্মসূচির শুরুতেই একাধিক টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে অভিযোগ এল, কাজ করছে না কেন্দ্রের তৈরি কো–উইন অ্যাপ!‌ 
কেন্দ্র জানিয়েছে, টিকাকরণ অভিযান সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য র‌য়েছে কো–উইন অ্যাপে। নির্দেশ, যাঁদের টিকা দেওয়া হবে, তাঁদের নাম–ঠিকানা সহ অন্যান্য তথ্য ওই অ্যাপে নথিভুক্ত করতে হবে। তা কাজ না করায় রীতিমতো উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে–কলমেই তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অ্যাপ ঠিক হওয়ার পর সেখানে নথিভুক্ত করা হবে। 
রাজ্যের ২১২টি কেন্দ্রে প্রথম দফার টিকাকরণ শুরু হয়েছে। তার মধ্যে কলকাতায় রয়েছে ১৯টি। প্রত্যেক কেন্দ্রে দিনে ১০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি, কলকাতা পুরসভার ৫টি বরোতেও আজ ভ্যাকসিনেশন হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের ছাড়পত্র মিললে এরপর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে টিকাকরণ চালু করবে পুরসভা। টিকাকরণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালেও চলছে টিকাকরণ। বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালের কর্মীদের টিকা দেওয়া হবে। ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালে প্রথম ভ্যাকসিন নেন চিকিত্সক বিপাশা শেঠ।
কলকাতা শহরের পাশাপাশি জেলাতেও টিকাকরণ চলছে। টিকা নিয়েছেন হুগলির চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় কুমার রায়, চন্দননগর মহকুমার উপ-স্বাস্থ্য আধিকারিক মহুয়া মোহান্তি। জলপাইগুড়িতে প্রথম ভ্যাকসিন নেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মবন্ধু ভরত ডোম। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ, খড়িবাড়ির পাশাপাশি দার্জিলিং ও কার্শিয়াংয়ে টিকা দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ৬টি সেন্টারে দেওয়ার হচ্ছে কোভিড টিকা। দক্ষিণ দিনাজপুর ও বীরভূম জেলাতেও শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। 

জনপ্রিয়

Back To Top