আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যে করোনা সংক্রমণ থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৩৪ জন। মোট সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ১৩ হাজার ৫৭১ জন। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৬৬.‌‌২৩ শতাংশ। শুক্রবার স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া বুলেটিনে জানানো হয় এদিন রাজ্যে ৬৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৪৮৮ জন। বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ২০০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭১৭ জনে। কোভিডে কোনও মৃত্যু যেন না হয় তার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তর রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে সব হাসপাতালকে। মৃত্যু সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনাই এখন মূল লক্ষ্য স্বাস্থ্য কর্তাদের।
রাজ্যে এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৪টি। পজিটিভিটি রেট ৩.‌৯৫ শতাংশ। এদিন নতুন আক্রান্তের মধ্যে কলকাতা ১৮২, উত্তর ২৪ পরগনা ১৩৪, হাওড়া ১০২, হুগলি ৬২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৬২ জন–‌সহ একাধিক জেলা থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এদিন যে ১৮ জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ রয়েছে তার মধ্যে কলকাতার ৮, হাওড়া ৩, উত্তর ২৪ পরগনা ৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২, হুগলি ১ এবং মালদা জেলা থেকে ১ জন রয়েছেন।
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও ঊর্ধ্বমুখী। করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। সমস্ত কোভিড হাসপাতালে বেড়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরদারি। সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল করোনা রোগী ভর্তি প্রত্যাখ্যান করলে কিংবা পরিষেবায় খামতির অভিযোগ পেলে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
উপসর্গহীন ও মৃদু উপসর্গ করোনা রোগীদের বাড়ির মতো বিনামূল্যে পরিচর্যায় রাখার জন্য ‘‌সেফ হোম’‌ চালু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্যের ১০৬টি সেফ হোম মিলিয়ে বর্তমানে ৩৪৭ জন রোগী রয়েছেন।  অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালও সেফ হোমের ধাঁচে স্যাটেলাইট হেলথ ফেসিলিটি ব্যবস্থা করেছে। অর্থের বিনিময়ে কেউ বাড়ির মতো সুবিধা পেতে এই পরিষেবা নিতে পারেন। বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল নিজেদের হাসপাতালে কিংবা আশেপাশের হোটেলেও শয্যা নিয়ে এই পরিষেবা দিচ্ছে। এই সঙ্কটের সময়ে এই ধরনের পরিষেবাকে লাভজনক ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে আবেদন করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

জনপ্রিয়

Back To Top