‌আজকালের প্রতিবেদন
আমফান বিপর্যয় নিয়ে টুইটে ‘‌ন্যূনতম ক্ষতি’‌ লিখে চরম সমালোচনার মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। পরে অবশ্য সমালোচনার ঝড় থেকে বাঁচতে লিখলেন, ‘‌ব্যাপক ক্ষতি’‌। টুইটে ন্যূনতম ক্ষতি লেখার পরই নেটিজেনরা সমালোচনায় সরব হন। একজন বলেন, ন্যুনতম! (‌বানান অপরিবর্তিত)‌‌ বলেন কী স্যর!‌ আরও অনেক সাধারণ মানুষই রাজ্যপালের ‘‌ন্যুনতম’‌ বলার জন্য নানা কথা বলেছেন, সমালোচনা করেছেন। রাজ্যপাল টুইটে লিখেছিলেন, গত কয়েক দিন ধরে তিনি ক্রমাগত বিভিন্ন এজেন্সির সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছিলেন। তাদের দায়িত্ববোধের ফলে ক্ষতি কম হয়েছে। আসলে এই টুইটে রাজ্যপাল কৃতিত্ব দাবি করেছিলেন। শুক্রবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেই গিয়েছিলেন বসিরহাটে দুর্গত এলাকায়। ঝড়ের পর ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে যখন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন, গম্ভীর পরিবেশ, সেই সময় দুর্গত, নিরন্ন মানুষদের দেখে হঠাৎ হাত নাড়তে শুরু করলেন। যেন বিপর্যয়ে পড়া মানুষেরা তাঁকেই দেখতে এসেছেন!‌ রাজ্যপাল যখন টুইট করে নেট–‌জগতে সমালোচনার মুখে তখন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ একধাপ এগিয়ে এরমধ্যে রাজনীতি খুঁজে পেলেন। বললেন, ‘‌রাজ্য সরকারকে টাকা না দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সরাসরি টাকা দেওয়া হোক।’‌ 

তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সমালোচনা করে কিছু আপত্তিজনক মন্তব্যও করেছেন। অবশ্য, এর মধ্যে ভিন্ন সুর শোনা গেল বিজেপি–‌র সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র গলায়। বাবুল সুপ্রিয় কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি। চমৎকার সৌজন্যবোধ দেখিয়েছেন। সাংবাদিকরা যখন তাঁকে প্রশ্ন করেন, তখন তাঁকে দৃশ্যত বিষাদগ্রস্ত দেখাচ্ছিল। তিনি বলেছেন, ‘দেশের ‌দুজন দক্ষ প্রশাসকের মধ্যে কথা হয়েছে। ওঁরা নিশ্চয়ই যেভাবে করোনা ও ঝড়ের মোকাবিলা করছেন সেটা ওঁরাই করবেন। আমাদের এর মধ্যে কোনও বক্তব্য নেই।’‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top