‌স্বদেশ ভট্টাচার্য, বসিরহাট, ১৮ নভেম্বর- বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজ সরেজমিনে দেখলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের একটি দল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা জেলা তৃণমূলের কার্যনির্বাহী সভাপতি নারায়ণ গোস্বামীর নেতৃত্বে ওই দলে ছিলেন নারী, শিশু কল্যাণ ও ত্রাণ স্থায়ী কমিটির কর্মাধ্যক্ষ রেহেনা খাতুন, কৃষি ও সেচ স্থায়ী কমিটির বুরহানুল মুকাদ্দিন লিটন, বন ও ভূমির একে এম ফারহাদ, বিদ্যুতের প্রবীর ঘোষ, টাকির উপ–‌পুরপ্রধান আজিজুল গাজি, জেলা পরিষদের বাস্তুকার মনোদীপ সেন, শিউলি চন্দ–সহ বিদ্যুৎ, সেচ, পূর্ত, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জেলা শীর্ষ আধিকারিকরা এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা মৃধা, সহ–সভাপতি সুদীপ মণ্ডল প্রমুখ।
এদিন তঁারা হিঙ্গলগঞ্জের দুলদুলি থেকে হেমনগর পর্যন্ত গ্রামগুলি ঘুরে দেখেন। নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘‌দু’‌দিন নদী ও সড়ক পথে বুলবুল কবলিত গ্রামগুলি দেখা হবে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকে কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তুষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো ত্রাণ বিলি হচ্ছে। ‌কর্মাধ্যক্ষ ও অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকরা হিঙ্গলগঞ্জ ঘুরে রাতে সন্দেশখালিতে থেকে মঙ্গলবার সকালে আবার সন্দেশখালি ব্লকের বুলবুল কবলিত এলাকা পরিদর্শনে বেরবেন।’‌ 
নারায়ণবাবু বলেন, ‘‌গত ১৩ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বসিরহাটে এসে যেভাবে বুলবুল বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজের নির্দেশ দিয়ে গেছেন তার অগ্রগতি কেমন তা দেখতেই জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের টিম সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে দুর্গত এলাকায় এসেছেন। ত্রাণের কাজ নিয়ে এলাকার মানুষ সন্তুষ্ট। কোথাও মানুষের হয়রানি হতে হচ্ছে না, কারণ মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বলে গেছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত একটি প্যাকেটে ১২ কিলো চাল, ২ কিলো ডাল, ৫ কিলো আলু, মুড়ি, বেবি ফুড, বিস্কুট, একটি ত্রিপল একসঙ্গে দুর্গত মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে।’‌ 
এদিন সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ও নদীবাঁধ ঘুরে দেখেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষরা। সঙ্গে থাকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের কোথায় কী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তাও নজরে আনেন।‌ 

 

নদী বাঁধে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষরা। হিঙ্গলগঞ্জে। ছবি:‌ প্রতিবেদক‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top