আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসব নিয়ে অবশেষে জট কাটল। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা সুনিশ্চিত করেছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে। তারপরই এব্যাপারে বৈঠক করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৈঠক শেষে কর্তৃপক্ষের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, প্রতি বছরের মতো এবারও দোলের দিনই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বসন্তোৎসব হবে। এব্যাপারে একটি কমিটি গঠিত হবে। সেই কমিটি পুরো বিষয়ের তত্ত্বাবধান করবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে এবছর দোলের দিন শান্তিনিকেতনের বিশ্বখ্যাত বসন্তোৎসব পালন নিয়ে চিন্তিত ছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপক মহলও।
প্রসঙ্গত, বিশ্বভারতীতে দোলের দিন বসন্তোৎসবের আয়োজন প্রথম করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রথমে উপাসনা গৃহে প্রার্থনা সেরে, তারপর আবাসিক, ছাত্রছাত্রীরা পলাশ ফুল, উত্তরীয় সেজে, খোল, মন্দিরার তালে ‘‌ওরে গৃহবাসী’‌ গানের সঙ্গে আশ্রম পরিক্রমা করে গৌড় প্রাঙ্গণে যান। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষেই বিশ্বভারতীতে দোল খেলা হয়। তবে বিশ্বভারতীতে রবীন্দ্রনাথ শুধুই আবির বা ‘‌ফাগ’‌ দিয়ে দোল খেলার আয়োজন করেছিলেন, যা আজও বর্তমান। ‘‌রাঙিয়ে দিয়ে যাও’‌ গান শেষ হতেই বিশ্বভারতীর আকাশ আবিরে রঙিন হয়ে ওঠে সেই রবীন্দ্রনাথের সময় থেকে। তাজমহলের মতোই বসন্তোৎসবও সারা বিশ্ববাসীর কাছে ভারতের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শুধু বসন্তোৎসবে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষরা বছরের এই সময়টায় শান্তিনিকেতনে আসেন।         ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top