আজকালের প্রতিবেদন: জন্ম নিয়ন্ত্রণের দিকে পশ্চিমবঙ্গ অনেকটাই এগিয়ে। বিভিন্ন জেলায় পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে মানুষকে নিয়মিত বোঝানো হয়। জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য কী কী করণীয়, কী সাবধানতা বজায় রাখা উচিত তা বিশদে বিভিন্ন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ‘‌বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’‌ অনুষ্ঠানে এসে একথা জানান রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী। এদিন দি বেঙ্গল অবস্ট্রেটিক অ্যান্ড গাইনেকোলজিক্যাল সোসাইটি (‌বিওজিএস)‌ এবং হোয়াইট রিবন অ্যালায়েন্স–এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয় একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান। হোয়াইট রিবন অ্যালায়েন্সের রাজ্য কো–অর্ডিনেটর সুজয় রায় বলেন, ‘এ বছরের থিম মহিলাদের স্বাস্থ্য আমাদের সম্পদ। পরিবার পরিকল্পনায় মহিলাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’‌ সিনি–র অধিকর্তা ডাঃ সমীর চৌধুরি ‘‌হাসপাতালে ডেলিভারির সময় লেবার রুমে প্রসূতি কীভাবে স্বস্তি বোধ করছেন সেই বিষয়টিতে চিকিৎসকদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ’‌ বিওজিএস–এর সভাপতি ডাঃ দিব্যেন্দু ব্যানার্জি বলেন, ‘‌একজন মহিলার সন্তান ধারণের পর শুধু শারীরিক যত্নই যথেষ্ট নয়, মানসিক দিক থেকে ভাল রাখাটাও সকলের দায়িত্ব।’‌ বিওজিএস বর্তমান ও প্রাক্তন সম্পাদক ডাঃ এম এম সামসুজ্জহা, ডাঃ বাসব মুখার্জি–‌সহ অন্যরা বিভিন্ন আলোচনায় জানান, ডেলিভারির জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পর ভাল চিকিৎসা পাওয়ার পাশাপাশি প্রসূতি যাতে ভাল ব্যবহার পান সেটাও দেখতে হবে। এদিন এসএসকেএমে ইন্ডিয়ান পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‌‌ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক ডাঃ সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ, ডাঃ ঋভু বসু, সুমন রায় প্রমুখ। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top