সুখেন্দু আচার্য, কল্যাণী: মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন, বহু লড়াইয়ের ফসল এইমস ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে বাস্তবের দিকে। কাজ শুরু হয়েছে। রায়গঞ্জে হবে, না কল্যাণীতে— এ নিয়ে একসময় দীর্ঘ টালবাহানা চলেছিল। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ইচ্ছেয় এবং লড়াইয়ে সিদ্ধান্ত হয়, কল্যাণীতে হবে। তার পর দীর্ঘ প্রতীক্ষা। এখন কাজ চলছে। ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠছে এইমস।
কল্যাণী শহর থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে বসন্তপুরে, কল্যাণী ও ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের মধ্যস্থলে। প্রাচীর দেওয়ার কাজ শেষ। ভেতরের কাঠামোর কাজ শুরু হয়েছে। এইমস নির্মাণের নোডাল অফিসার তথা কল্যাণীর মহকুমা শাসক স্বপনকুমার কুণ্ডু জানান, জমি অধিগ্রহণের পর দ্রুত কাজ চলছে। পাচিলের কাজ শেষ। শুরু হয়েছে ভেতরের কাঠামোর কাজ। এই কাজে কখনও কখনও বাধা আসে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে পাচিলের বাইরে জায়গা দখলের চেষ্টা চলছে। দ্রুত পুলিসকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যেহেতু কল্যাণী থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে বাসরাস্তাটি মিশেছে, তাই সেই রাস্তাটি চার লেনের করা হবে। এই রাস্তার ওপর কোনও বাধা মানা হবে না। রাস্তার কাজ খুব শিগগিরই পিডব্লুডি শুরু করবে। এলাকার বাসিন্দা জয়নুল মণ্ডল, রামচন্দ্র মুর্মু, প্রশান্ত দাসদের বক্তব্য, অঞ্চলের কয়েক হাজার বাসিন্দা নতুন করে ভালভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন। এইমস গড়ে উঠলে এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। ইতিমধ্যেই জায়গার দাম যথেষ্ট বেড়েছে। এইমস ঘিরে ব্যবসা, হোটেল, দোকান করার প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয় যুবকরা কাজের আশায় বুক বাঁধছেন। অনেকে ইতিমধ্যেই ছোটখাটো ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন। এইমসের কাজ এগোচ্ছে বলে তাঁরাও খুশি, খুশি কল্যাণীর মানুষ।‌

এখানেই হবে এইমস। ছবি:‌ প্রতিবেদক‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top