আজকালের প্রতিবেদন,কাঁথি: মাঝনদীতে কেটে গিয়েছিল ইঞ্জিনের হুইল চেন। এরপরই বিকল হয়ে যায় বার্জের ইঞ্জিন। চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বার্জ গিয়ে ধাক্কা মারে বয়াতে। নিচের দিকে ফুটো হয়ে জল ঢুকতে শুরু করে বার্জে। আর জল ঢুকছে বুঝেই পাইলট চেষ্টা করেছিলেন বার্জটিকে পাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হল জোয়ার শুরু হয়ে যাওয়ায়। মাঝনদীতে ডুবে যায় ছাইবোঝাই বার্জটি। তবে মৎস্যজীবীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে যান ১০ জন নাবিক। মঙ্গলবার ভোররাতে মহিষাদলের হরিবল্লভপুর এবং বাদুড়িয়ার মাঝে হুগলি নদীতে ঠিক এভাবেই ডুবে যায় বাংলাদেশের এমবি সোম–৩ নামের একটি বার্জ। গত ২ বছরে এই নিয়ে হুগলি নদীতে ছাইবোঝাই বাংলাদেশের ৬টি বার্জ ডুবল। রাজ্যের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফ্লাই অ্যাশ বা ছাই বাংলাদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে। সিমেন্ট কারখানার কাঁচামাল ৭৫০ মেট্রিক টন ওই ছাই নিয়েই ঢাকা যাচ্ছিল বার্জটি। উদ্ধার হওয়া ১০ নাবিক প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহিষাদল থানার ওসি পার্থ বিশ্বাস। পাশাপাশি ঘটনার খবর পেয়ে সুতাহাটা থানার ওসি জ্বলেশ্বর তেওয়ারির নেতৃত্বেও ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। মহিষাদল থানাতেই উদ্ধার হওয়া নাবিকদের থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁরা যাতে বাংলাদেশে দ্রুত ফিরে যেতে পারেন সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিস।

জনপ্রিয়

Back To Top