আজকালের প্রতিবেদন- আর্থিকভাবে দুর্বলদের তালিকায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। ২ জুলাই রাজ্য সরকার আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, তফসিলি জাতি, উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকার আওতার বাইরে যাঁরা রয়েছেন, যাঁরা আর্থিকভাবে দুর্বল, তাঁদের জন্য এই সংরক্ষণ। এঁরা সরকারি চাকরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে আলাদাভাবে সুযোগ–সুবিধে পাবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তফসিলি জাতি, উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য সংরক্ষণের আওতার বাইরে থাকা অথচ আর্থিকভাবে দুর্বল, এমন ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ পাওয়া যাবে। এই সংরক্ষণ সরকারি চাকরি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য। তবে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে এই সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়া যাবে না।
এক্ষেত্রে সুযোগ পেতে গেলে পরিবারের বার্ষিক আয় হতে হবে ৮ লক্ষ টাকার নীচে। জমির পরিমাণ ৫ একরের বেশি হওয়া চলবে না। এক হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের ফ্ল্যাট থাকা চলবে না। নোটিফায়েড মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ১০০ বর্গ গজের বেশি আবাসিক জমি থাকা যাবে না। অন্য মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ২০০ বর্গ গজের বেশি আবাসিক জমি থাকা যাবে না।
ইকনমিকালি উইকার সেকশন (‌ইডব্লুএস)‌–এর আওতায় সুযোগ পেতে হলে দিতে হবে আয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত শংসাপত্র। ‘‌অ্যানেক্সার–সি’র মাধ্যমে তা নেওয়া যাবে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, এসডিও–র কাছ থেকে। কলকাতা পুরসভা এলাকার ক্ষেত্রে তা পাওয়া যাবে ডিডব্লুও–র কাছে। সঙ্গে দিতে হবে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র অথবা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত শংসাপত্র, প্যান কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট অথবা মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, পে স্লিপ, আয় সংক্রান্ত শংসাপত্র, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, জমির পরচা বা দলিল, গ্রাম পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপ্যালিটি চেয়ারম্যানের দেওয়া শংসাপত্র, পারিবারিক আয় সংক্রান্ত স্ব–শংসাপত্রের স্ব–স্বাক্ষরিত প্রতিলিপি (‌অ্যানেক্সার–বি অনুযায়ী)‌। শংসাপত্র পেতে আবেদন করতে হবে ‘‌অ্যানেক্সার–এ’‌ অনুসারে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top