নজরুল ইসলাম : ব্যাট হাতে মাঠে নেমে খেলা, আর পরামর্শ দিয়ে দলকে জেতানোর মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। পরামর্শ কাজে লাগানোর দায়িত্ব তো ক্রিকেটারদের। মেন্টর ধোনির পরামর্শ পেয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না ইশাঙ্ক জাগ্গিরা। সৈয়দ মুস্তাক আলি টোয়েন্টি ২০ প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বের ম্যাচে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে দুর্দান্ত জয়ে তুলে নিল বাংলা। ধোনি না খেললেও তাঁর সঙ্গেই অদৃশ্য লড়াই ছিল বাংলার। কারণ তিনিই ঝাড়খণ্ডের মেন্টর। ধোনির পরিকল্পনা ব্যর্থ করার মূলে বাংলার দুই ওপেনার শ্রীবৎস গোস্বামী ও বিবেক সিং। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও জ্বলে উঠলেন। 
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঝাড়খণ্ড। তৃতীয় ওভারে বিরাট সিংকে (১০) কণিষ্ক শেঠ তুলে নিলেও দলকে ঝাড়খণ্ডকে শক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেন ইশান কিষান (৩৫ বলে ৪৯) ও ইশাঙ্ক জাগ্গি (৩৯ বলে ৭২)। ২০ ওভারে ঝড়খণ্ড তোলে ১৭৭/৯। বাংলার হয়ে অশোক দিন্দা ৪১ রানে ২টি ও মনোজ তেওয়ারি ২৭ রানে ২টি উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে বাংলা। ওড়িশা ম্যাচের মতোই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং শুরু করেন দুই ওপেনার শ্রীবৎস গোস্বামী (৪১ বলে ৫৮) ও বিবেক সিং (৪০ বলে ৬৩)। ওপেনিং জুটিতে ১৩ ওভারে ১৩০ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে দেন শ্রীবৎস ও বিবেক। আইপিএলের নিলামে দর বাড়ানোর জন্য নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারে তুলে নিয়ে এলেও সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক মনোজ (৮)। সুদীপ চ্যাটার্জি করেন ২৬। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা।
ঝাড়খণ্ডের মতো প্রতিযোগিতার শক্তিশালী দলকে হারাতে পেরে খুশি বাংলার অধিনায়ক মনোজ তেওয়ারি। বলেন, ‘ওভার প্রতি ৮ রান তাড়া করার টার্গেট খুব একটা সহজ ছিল না। ওপেনাররা দুর্দান্ত শুরু করেছিল। ঝাড়খণ্ড ভাল শুরু করলেও আমাদের বোলাররা ওদের আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল। সব মিলিয়ে গোটা দলের পারফরমেন্সে আমি সন্তুষ্ট।’ তবে ‘মেন্টর’ ধোনি যে ফ্যাক্টর ছিলেন, মেনে নিয়েছেন মনোজ। তিনি বলেন, ‘ধোনি কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাঁর পরামর্শ নিশ্চিতভাবেই ওদের সাহায্য করেছে। কিন্তু পরিকল্পনা তো কার্যকর করতে হবে।’

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top