আজকালের প্রতিবেদন, ভুবনেশ্বর, ১৬ এপ্রিল- ম্যাচ শেষে ক্রোমার কাঁধে ভর দিয়ে টিম বাসের দিকে এগোচ্ছিলেন। পা ঠিক করে মাটিতে ফেলতে পারছিলেন না। ডান পায়ে আইসপ্যাক বঁাধা। মিক্সড জোনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সাংবািদকদের ডাকে একবার ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেন। কিন্তু, কোনও কথা বললেন না। অভিমানে?‌ সমর্থকেরা কটাক্ষ করেছিলেন, বুড়ো ডুডু। গোয়ার বিরুদ্ধে সেই বুড়ো ডুডুই ত্রাতার ভূমিকায়।
টিমকে সুপার কাপের ফাইনালে তুলে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ফাইনালে ‘অনিশ্চিত’ ডুডু। টিডি সুভাষ ভৌমিক বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, ফাইনালে ওর খেলা চাপ হয়ে গেল।’ গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করে জবাব দেওয়ার স্বস্তির দিনেও ডুডু উদ্বিগ্ন। চোটের কারণে ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায়।
গোয়ার বিরুদ্ধে জিতে ঘুরিয়ে খালিদকে একহাত নিলেন সুভাষ ভৌমিক। বলেন, ‘আই িলগে কোনও পরিকল্পনাই ছিল না। এখন নানা পরিকল্পনা হয়েছে।’ আই লিগে ‘চ্যাম্পিয়ন্স লাক’ মানতে চাননি সুভাষ। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, সবচেয়ে বেশি কঠিন ম্যাচ খেলতে নামছি। এটাও বলেছিলাম, ম্যাচটা জিততে জীবন বেরিয়ে যাবে। আর সেটাই হল। এটা কোনও লাক ফ্যাক্টর নয়।’ একটু থেমে জুড়ে দেন, ‘প্রথমার্ধে ২০ মিনিটের মধ্যেই খেলা শেষ হয়ে যায়। ডুডু দুটো, কাৎসুমি দুটো সহজ সুযোগ মিস না করলে।’
গোয়ার বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ের পর সুভাষ প্রশংসা করেন ডেরেকের। ইস্টবেঙ্গল টিডির কথায়, ‘ও হল ভারতের বুদ্ধিমান কোচেদের মধ্যে একজন। ভারতের সেরা চারটে কোচের নাম বলতে বললে অবশ্যই েসই তালিকায় ডেরেক থাকবে। আজকের ম্যাচে মিডফিল্ডে লোক বাড়িয়েছে, খেলার গতি কমিয়েছে, বলের জন্য প্লেয়ারদের দৌড় করিয়েছে। এগুলো যে হবে, আগেই আন্দাজ করেছিলাম।’ ডুডু প্রসঙ্গে সুভাষের বক্তব্য, ‘এত মিস করলে প্রেসার তো আসবেই। কিন্তু, ওর চাপটা নেওয়ার ক্ষমতা আছে। গোল করেছে। এখানে আসার আগে ওর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছিলাম।’ সুপার কাপের আগে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুভাষ। দল সুপার কাপের ফাইনালে পৌঁছনোর পর তিনি বলছেন, ‘আই লিগে টিম চারে শেষ করেছিল। সুপার কাপে তো তবু এক বা দুইয়ে শেষ করবে।’
ফাইনালে ওঠার পরও সুভাষ–খালিদের ঠান্ডা যুদ্ধটা থামার লক্ষণ নেই!‌‌‌

এভাবেই ডুডুদের নির্দেশ দিলেন সুভাষ। দেখছেন খালিদও। ছবি:‌ রনি রায়

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top