অগ্নি পাণ্ডে: এক ঝলকে দেখলে মনে হবে বিভিন্ন জায়গায় দগদগে ঘা। খেলার অনুপযুক্ত মাঠ। বল ভাল করে গড়াতেই চায় না। তার মধ্যে খানিকটা সমর্থকদের কথা েভবেই নিজেদের মাঠে খেলা। আগের ম্যাচ ছিল সমর্থকদের কাছে হতাশাজনক। কিন্তু শনিবার বিকেলে সাদা–কালো গ্যালারিতে জ্বলল রংমশাল। কারণ, শেষ মিনিটের গোলে কলকাতা লিগে আবার জয়ে ফিরল মহমেডান। লিগ খেতাবের দৌড়ে খানিকটা হলেও ভেসে উঠল ৮ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে।
খেলার অযোগ্য মাঠে শুরু থেকেই মহমেডান চাপ তৈরি করেছিল বিএসএসের বিরুদ্ধে। শনিবার সাদা–কালো টিডি দীপেন্দু বিশ্বাসের স্ট্র্যাটেজি ছিল মহমেডানের গোলগেটার কোফি আর্থারকে প্রথম থেকে না নামানো। তাঁর বদলে শুরু থেকে আরেক বিদেশি জন চিড্ডিকে নামিয়ে বিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ভারী মাঠে ক্লান্ত করে দেওয়া। 
ম্যাচের শুরু থেকেই চিড্ডির নড়াচড়া বিএসএস বক্সে খানিকটা চাপ ছিল। ডান দিক থেকে মিনিট দুয়েকের মাথায় বিএসএস বক্সে এসে পড়া চিড্ডির ক্রস কোনও সতীর্থ ধরতে পারলে তখনই গোল পেয়ে যেত মহমেডান। কিন্তু কেউ ছিলেন না। আবার ৩৬ িমনিটে চাংতের মাইনাসে বিএসএস বক্সের ভেতরে দাঁড়ানো চিড্ডির হেড একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। 
প্রধমার্ধে বিএসএসের উজ্জ্বল হাওলাদারের শট মহমেডান গোলকিপার শুভম রায়কে বোকা বানিয়ে দ্বিতীয় পোস্টে লাগে। নইলে বিএসএসও গোলের খাতা খুলেই ফেলতে পারত।
দিন দিন কলকাতা ময়দানে রেফারিংয়ের মান ভারতীয় টাকার মতোই নিম্নগামী। নইলে রেফারি নাসিরুদ্দিন লস্কর সামনে দাঁড়িয়েও দেখলেন না, কীভাবে বিএসএসের জগন্নাথ ওঁরাও মহমেডানের চিড্ডিকে ঘুসি মারলেন! রেফারির পকেট থেকে বেরোল না কোনও কার্ড! ৭৫ মিনিটে চিড্ডির পরিবর্তে পরিকল্পনা অনুযায়ী নামলেন কোফি। আর ম্যাচের ৮৯ মিনিটে তাঁর পা থেকেই জয়সূচক গোল এল সত্যম শর্মার কর্ণার থেকে। সঙ্গে এল কাঙ্খিত ৩ পয়েন্ট।
মহমেডান: শুভম, প্রসেনজিৎ, করিম ওমোলাজা, সুজিত সাধু, সইফুল, মুসা, সত্যম (ফিরোজ), চাংতে, তীর্থঙ্কর, আমির হোসেন (উসমান), জন চিড্ডি (আর্থার)।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top