দেবাশিস দত্ত:  এ মাসেই তো নাইটহুড প্রদান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল‌। আপনি তো লন্ডনে। গায়ানায় যাননি?‌
ক্লাইভ লয়েড:‌  আপাতত অনুষ্ঠান বাতিল। বিলেতে এবার এ ধরনের সব অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন লন্ডনেই আছি। গায়ানার বাড়ি ভাড়া দিয়েছি। এখনও  ক্যারিবিয়ানে করোনা তেমন প্রবলভাবে ছড়ায়নি। গায়ানায় মারা গিয়েছে ২ জন। তবে গায়ানা সতর্ক আছে। লন্ডনের অবস্থা খুব খারাপ।
 আপনি বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না তো?‌ লকডাউন মানে তো বন্দিত্ব। 
লয়েড:‌ একেবারেই বেরোচ্ছি না। পুত্র ব্যাঙ্কে চাকরি করে। ওকেও বেরোতে দিচ্ছি না। মাঝে একদিন টেসকোয় গিয়ে খাবার স্টক করে নিয়েছি। লকডাউনকে বন্দিত্ব ভাবছি না। এই বন্দিজীবনেই রয়েছে পৃথিবীর বেঁচে ওঠার, স্বাভাবিক হওয়ার চাবিকাঠি। সারাদিন টিভি দেখছি। ফোনে কথা বলছি। 
 আপনার সেই দুর্ধর্ষ দলের ভিভ, গ্রিনিজ, হেনেসরা ফোন করেছিল?‌
লয়েড:‌ ফোনের ব্যাপারটা ওয়ান ওয়ে নয়। আমি করি। ওরাও করে। ভিভ এখন স্যর ভিভিয়ান রিচার্ডস। তাই জানতে চাইল, কবে নাইটহুড দেওয়া হবে। স্যর ভিভ আসলে স্যর ক্লাইভের সঙ্গে কথা বলতে চাইছিল (‌হাসি)‌। 
 রানির বাড়ি থেকে কী বার্তা এল?‌
লয়েড:‌ এই যে অনুষ্ঠানটা পরে আয়োজন করা হবে। মানে স্যর হওয়ার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। রানি নিজেই প্রাসাদে নেই। প্রধানমন্ত্রী আইসিইউ–‌তে। লন্ডন শহরে মৃত্যু ঘটছে ঘণ্টায় ঘণ্টায়। নাইটহুড নিয়ে ভাবার সময় নেই কারও। তবে মৃত্যুর আগে যেন পুরস্কারটা হাতে নিতে পারি।‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top