সংবাদ সংস্থা
ভারতীয় দলের অধিনায়ক থাকাকালীনও মহেন্দ্র সিং ধোনি কতটা নিরহঙ্কার ছিলেন, তারই একটা ঘটনা জানালেন সুনীল গাভাসকার। কলামে গাভাসকার লিখেছেন, বিমানে ইকনমি ক্লাসে টেলিভিশন সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের সঙ্গে বসে যেতেন মাহি।
দেশের মাঠে সিরিজ চলাকালীন ভারতীয় দল সাধারণত চাটার্ড বিমানে যাতায়াত করে। সীমিত সংখ্যক বিজনেস ক্লাসের টিকিট অধিনায়ক, কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজারের জন্য বরাদ্দ থাকে। সেই প্রসঙ্গ তুলে গাভাসকার লিখেছেন, ‘‌ভারতীয় বোর্ডের একটা সুন্দর পদ্ধতি রয়েছে। দেশে আন্তর্জাতিক সিরিজে বিশেষ বিমানে দুটো দলকে এক কেন্দ্র থেকে অন্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। একই বিমানে সম্প্রচারকারী টেলভিশন চ্যানেলের কর্মীদেরও নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই সীমিত সংখ্যক বিজনেস ক্লাসের আসন ক্যাপ্টেন, কোচিং স্টাফদের জন্যই থাকে। আগের ম্যাচে ভাল খেলা ক্রিকেটারকেও পুরস্কার হিসেবে বিজনেস ক্লাসের আসন দেওয়া হয়। বাকিরা সাধারণ আসনেই যাত্রা করে। ‌কিন্তু ক্যাপ্টেন ধোনি সাধারণত টেলিভিশনের কর্মকান্ডের নেপথ্য নায়ক যাঁরা— সেই ক্যামেরাম্যান, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারদের পাশে বসতে পছন্দ করত।’‌
এক্ষেত্রে বিরাট কোহলিও যেন তাঁর পূর্বসূরীকে অনুসরণ করছেন। ২০১৮–১৯ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ায় বর্ডার–গাভাসকার সিরিজের ঘটনা। এডিলেড থেকে পার্থে যাচ্ছিল ভারতীয় দল। স্ত্রী অনুষ্কা শর্মাকে নিয়ে ইকনমি ক্লাসের সাধারণ আসনে বসেছিলেন বিরাট। বিজনেস ক্লাসের টিকিট ছেড়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় পেসারদের জন্য। সেসময় ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন এই রহস্য ফাঁস করেছিলেন। মুগ্ধ ভন টুইট করেছিলেন, ‘‌মানবিক বিরাটের একটা দারুণ উদ্যোগের সাক্ষী থাকলাম। অস্ট্রেলিয়ার ক্লান্ত জোরে বোলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়ার জন্য নিজের বিজনেস ক্লাসের আসন ছেড়ে দিয়েছে ক্যাপ্টেন। বদলে স্ত্রী অনুষ্কাকে নিয়ে সাধারণ আসনে বসে এডিলেড থেকে পার্থে যাচ্ছে।’‌ ভনের টুইটে এই তথ্য সামনে আসার পর বিরাটকে নিয়ে কম প্রশংসা হয়নি। এবার তেমনই ধোনির মানবিক দিক সামনে এল গাভাসকারের সৌজন্যে।
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top