দেবাশিস দত্ত- টেমস নদীর ধারের হোটেলে বিরাট‌বাহিনী অস্থায়ী ঘাঁটি গাড়ল ইংল্যান্ডে পৌঁছোনোর পরপরই। রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামের কারণে অন্তত ঘণ্টা খানেক দেরিতে পৌঁছোতে হল রোহিত শর্মাদের। সাধারণত হিথরো বিমানবন্দর থেকে লন্ডন শহরের প্রাণকেন্দ্রে পৌঁছোনোর জন্য সময় লাগে ১ ঘণ্টার সামান্য বেশি। সেখানে সওয়া ২ ঘণ্টা লেগে গিয়েছিল। চমৎকার বন্দোবস্ত হোটেলের ভেতরে। পরিচিত জায়গা, বলতে গেলে অধিকাংশ ক্রিকেটারেরই। এই কারণ এবং বিমানযাত্রার ক্লান্তির কারণে গোটা দল বুধবার সন্ধেটা কাটালেন সবাই হোটেলের ভেতরেই। ক্রিকেটারদের স্ত্রীরা শুরুতে আসেননি।  অনুষ্কা শর্মাকে তাই দেখা গেল না, দলের চেক–ইন করার সময়। বোর্ড এবার নির্দেশ দিয়েছে ক্রিকেটাররা তাঁদের স্ত্রীদের নিয়ে যেতে পারবেন মাত্র ১৪ দিনের জন্যে। তাও, সফরের শুরুতে নয়। ভারতীয় শিবির অবাক হয়ে গিয়েছে যে, বিশ্বকাপের জন্য খেলতে এসে, হোটেলে অথবা লবিতে কোনও প্রবাসী সমর্থককে না দেখে। এমন নয় যে চুপি চুপি ভারতীয় দল রানি এলিজাবেথের দেশে ঢুকে পড়ল। এই ছবিটা থাকবে না, এ ব্যাপারে আমি অন্তত নিশ্চিত। সময় যত এগোবে তত উৎসাহী জনতা ভারতীয় হোটেল ও নেট প্র‌্যাকটিসের দিকে ধেয়ে আসবেন।
শুরুতেই লিখেছি, টেমস নদীর ধারে আছেন বিরাটরা। অন্য পারে বিশাল ভিক্টোরিয়া রেলওয়ে স্টেশন। হোটেলের জানালা দিয়েই বিগ বেন এবং ওয়েস্ট মিনস্টার দেখা যায়। দেখলেন সকলেই। আবারও। অদূরে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি। সকাল ও বিকেলে, এই এলাকা দিয়ে মিনিট তিরিশেক হাঁটলেই উত্তর লন্ডনের অনেক দর্শনীয় স্থান, এক চক্করে, ঘুরে দেখা যায়। শুক্রবার সকালে ব্রেকফাস্টের পর টিম মিটিং এবং প্র‌্যাকটিসে যাওয়ার প্রস্তুতি যে নিতে হবে, তা বুধবার হোটেল লবিতে পৌঁছে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়। পরে গ্রুপের হোয়াটসঅ্যাপে একই নির্দেশ পাঠানো হয়েছিল। বিশ্বযুদ্ধের জন্য, শুক্রবার থেকেই লন্ডনে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল বিরাটদের।

অস্ত্রে শান। বোলিং অনুশীলনে মগ্ন বুমরা। ছবি:‌ পিটিআই
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top