‌সংবাদ সংস্থা, দিল্লি, ৫ জুন- গড়াপেটা কেলেঙ্কারির পর ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। অস্বস্তি আর অবিশ্বাসের সেই আবহ বদলে গড়ে তুলেছিলেন টিম ইন্ডিয়া। যে টিম ইন্ডিয়া বিপক্ষের চোখে চোখ রেখে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে শিখেছিল। থামিয়ে দিয়েছিল স্টিভ ওয়ার অস্ট্রেলিয়ার বিজয় দৌড়। নেতা হিসেবে তাঁর নাম তাই আজও উজ্জ্বল। কিন্তু চাইলেই যে নেতা হওয়া যায় না। সবাই নেতা হনও না। সৌরভ গাঙ্গুলির মতে, ‘‌ভাল নেতা সে–ই, যে নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। ব্যর্থ হওয়ার পরও জীবনে থেমে যায় না।’‌  
আনঅ্যাকাডেমি–র সেশনে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ নেতা আর নেতৃত্ব নিয়ে নানা কথা বলেছেন। আর বলতে গিয়েই টেনে এনেছেন রাহুল দ্রাবিড় আর যুবরাজ সিংয়ের উদাহরণ। সৌরভ বলেছেন, ‘‌নেতাকে মানিয়ে নিতে জানতে হয়। এটাই তার সবচেয়ে বড় গুন। সেই সঙ্গে তাকে লক্ষ্য রাখতে হয়, সতীর্থদের সহজাত প্রতিভার বিকাশ ঘটছে কিনা। রাহুল দ্রাবিড়ের কাছে যুবরাজ সিংয়ের মতো বা যুবরাজের কাছে রাহুলের মতো আচরণ আশা করা যায় না। সেটা সম্ভবও নয়।’‌ 
এখানেই শেষ নয়। আদর্শ নেতা হওয়ার খুঁটিনাটি দিক ও গুন কী কী, কীভাবে তাকে এগোতে হয় তা নিয়ে সৌরভ আরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘‌নেতা মাত্রেই ভুল করে। পৃথিবীর গ্রেটেস্ট নেতারও ভুল হয়। কিন্তু যতক্ষণ উদ্দেশ্য ঠিক থাকে, ততক্ষণ সব মেনে নেওয়া যায়। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আর সেই ভুলগুলোকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তা হলেই উন্নতি ঘটবে। বলা যাবে, সে আরও ভাল নেতা হয়ে উঠছে। পরিণত হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যর্থ হলেও ভেঙে পড়া চলবে না। ব্যর্থতা যেন কখনওই একজন নেতাকে পেছনের দিকে টেনে নিয়ে না যায়। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এলোমেলো করে না ফেলে। কারণ ব্যর্থতাও একজন মানুষকে, একজন নেতাকে শিক্ষা দেয়। এক ধাপ এগোনোর পথ দেখায়। ব্যর্থতাই সাফল্যের সিঁড়ি ছুঁতে সাহায্য করে।’‌ 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top