সংবাদ সংস্থা, কলম্বো: একদিনের দলে তাঁর ডাক পাওয়াটা সহজ না। ভুবনেশ্বর কুমার আর যশপ্রীত বুমরা— এই দুই বোলার থাকলে তাঁকে খুব প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই দু‌জনের কেউ একজন না থাকলে, অবশ্যই আছে। স্টপ গ্যাপ সিমারের এই ভূমিকা পালনে তাঁর আপত্তি নেই। বরং চ্যালেঞ্জটা নিয়েই ফেলেছেন, জানিয়ে দিলেন শার্দূল ঠাকুর। বলেছেন, ‘‌আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। আমার কাছে তাই এটাও এক অর্থে চ্যালেঞ্জই। দলের সিনিয়র প্লেয়াররা অনুপস্থিত থাকলে, আমাকে দায়িত্ব নিতে হবে। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে যখন খেলেছি, তখনও এরকমই দায়িত্ব পালন করেছি। মুম্বইয়ের হয়ে রনজি খেলার সময় কখনও জাহির খান, কখনও ধবল কুলকার্নি কখনও আবার অজিত আগরকারের জায়গায় খেলেছি। সিনিয়রদের বিশ্রাম দিলে আমার ডাক পড়ে, এই সত্যিটা জানি। আমাকে যেটুকু দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, আমি সেটা পালনের জন্য সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি।’‌ ‘‌নাকল’‌ বল এখন ভারতের অনেক জোরে বোলারই করছে। ভুবনেশ্বরও ব্যতিক্রম নন। তবে এই বল প্রথম করেছিলেন জাহির। তবে এদের কারও কাছ থেকে নয়, একা একাই ‘‌নাকল’‌ বল করতে শিখেছেন দাবি করছেন শার্দূল। তাঁর কথায়, ‘‌জাহির খান এই বলটা প্রথম করেছিল, জানি। তবে আমি খুব বেশি ওর বোলিংয়ের ভিডিও দেখিনি। এই বলের গ্রিপ কেমন হবে, জানতাম। তারপর দীর্ঘ সময় ধরে প্র‌্যাকটিস করে করে নিজেই শিখেছি। ব্যাপরটা সহজে রপ্ত হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে যখনই সাদা বলে খেলার সুযোগ হয়েছে, নাকল বল করার চেষ্টা করেছি। প্রায় দু ‌বছর ধরে আমি নাকল বল করছি।’‌ 
নিজেকে নিয়ে কথা বলার পর, চলতি সিরিজ নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। উপুল থরঙ্গা আর থিসারা পেরেরাকে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ায় শ্রীলঙ্কা সোমবার ২০ রান মতো কম তুলতে পেরেছিল বলে মনে করেন শার্দূল। বলেন, ‘‌শ্রীলঙ্কা যেভাবে এগোচ্ছিল, তাতে ১৬৫, ১৭০ রান তুলে ফেলতেই পারত। সেই সময়ই থরঙ্গাকে আউট করা গিয়েছিল। থিসারা পরপর কয়েকটা বাউন্ডারি মারলেও, পরপর দু–‌‌তিনটে উইকেট তুলে নিলে রান আটকানো যাবে জানতাম। বোলাররা নিজেদের পারফরমেন্সে খুশি। টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেটে প্রতি মুহূর্তে অবাক করে দেওয়ার মতো রসদ থাকে। শ্রীলঙ্কা যেমন প্রথম ম্যাচে আমাদের চমকে দিয়েছিল। ওই ম্যাচটা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরের দুটো ম্যাচে আমরা দুর্দান্ত ভাবেই ফিরে এসেছি।’‌ ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top