সংবাদ সংস্থা, কলকাতা: ইডেনে দিন–রাতের টেস্ট নিয়ে আগ্রহ আকাশচুম্বী। তবে শুক্রবার টেস্ট শুরুর আগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা মনে করিয়ে দিলেন শচীন তেন্ডুলকার। বললেন, ‘ক্রিকেটের মানের সঙ্গে আপস করা না হলে তবেই দিন–রাতের টেস্ট সফল হবে।’‌ 
মাস্টার ব্লাস্টার নিজের মন্তব্যের পরে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। বলেছেন, ‘‌মাঠে যাতে বেশি দর্শক আসতে পারেন, সে কারণেই টেস্ট ক্রিকেটে নতুনত্বের ছোঁয়া আনা হচ্ছে। এটা অবশ্যই জরুরি। তবে পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখতে হবে, শিশির পড়ায় কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা, ক্রিকেটের মানের সঙ্গে আপস করতে হচ্ছে কিনা।’‌ 
দিন–রাতের টেস্টে শিশির পড়ার সমস্যা নিয়ে আগে চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এখনও কি তাই মনে করেন?‌ শচীনের জবাব, ‘‌সব কিছুরই দুটো দিক থাকে। দিন–রাতের টেস্টও তার ব্যতিক্রম নয়। গ্যালারি উপচে পড়বে এটা যদি মুদ্রার একদিকের ছবি হয় তা হলে উল্টোদিকে ভাবতে হবে বল ভিজে যাচ্ছে কিনা। আর তার প্রভাব ম্যাচে পড়ছে কিনা। যদি এমন হয় গ্যালারিও ভরে গেল এবং বল শিশিরে ভিজলেও খেলায় প্রভাব ফেলল না— তা হলে আমাদের পরিকল্পনা, চেষ্টা দু’‌দিকেই সফল হবে। আর যদি দেখা যায় বল ভিজে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে তাহলে নতুন করে ময়নাতদন্ত করতে হবে।’‌ 
এই প্রথম দিন–রাতের টেস্ট খেলবে ভারত–বাংলাদেশ। শুক্রবার ইডেনে তিনি হাজির থাকবেন। শচীনের মতে, ‘‌কোহলিরা দিন–রাতের টেস্ট খেলছে মানে আমরা সামনের দিকে এগোচ্ছি। নতুন কিছুতে আগ্রহ দেখাচ্ছি। দেখা যাক, আমাদের এই চেষ্টা সফল হয় কিনা।’‌ 
ঘাসের পিচে গোলাপি বলের টেস্টে স্পিনাররা কি সফল হবেন?‌ মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, ‘‌ঘাসের পিচে স্পিনাররা আদৌ সফল হবে কিনা তা নিয়ে লোকের মনে সন্দেহ থাকে। কিন্তু গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় পার্থ টেস্টে পেসাররা যেমন সাহায্য পেয়েছিল তেমনই লায়নও পেয়েছিল।’‌ 
ভারতের জোরে বোলারদের নিয়ে শচীনের মত, ‘‌আমাদের তিনজন জোরে বোলারই ঘণ্টায় ১৪০ কিমি গতিতে বল করে। একই জায়গায় ধারাবাহিকভাবে বল রাখে। ফিট থাকলে দীর্ঘ স্পেলে একজন বোলার বল করতে পা

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top