সংবাদ সংস্থা, অকল্যান্ড: সবে নিউজিল্যান্ডে পা রেখেছে ভারত। প্রথমে পাঁচ ম্যাচের টি২০ সিরিজ। তারপর তিনটে একদিনের ম্যাচ। সব শেষে দুটি টেস্ট। ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই সিরিজ নিয়ে আলোচনা কোথায় করবেন, তা নয়, রবি শাস্ত্রী বললেন বিশ্বকাপ নিয়ে। ভারতীয় দলের কোচের কথায়, ‘‌বিশ্বকাপ ভারতীয় দলের মাথায় ঢুকে গিয়েছে। জেতার জন্য সব চেষ্টা করবে দল।’‌
এই ভারতীয় দল টসে জেতা–হারাকে তেমন আমল দিচ্ছে না। অধিনায়ক কোহলি সে কথা বলেওছেন। তিনিও কি একই ভাবে ব্যাপারটাকে দেখছেন?‌ শাস্ত্রীর জবাব, ‘‌টস আমাদের ভাবনা–চিন্তার বাইরেই থাকবে। বিশ্বের যে প্রান্তেই খেলি, পরিস্থিতি এবং প্রতিপক্ষ বুঝেই খেলব। এই লক্ষ্যেই এখন এগিয়ে চলেছি।’‌  
এই ভারতীয় দলের প্রত্যেকেই একে–অন্যের সাফল্যে খুশি হন, উৎসাহ দেন। দলের এই সংস্কৃতি নিয়ে শাস্ত্রী বলেন, ‘‌এই ভারতীয় দলের অভিধানে আমি শব্দটার জায়গা নেই। আমরা শব্দটার গুরুত্ব আছে। তাই একে–অন্যের সাফল্যে সবাই এতটা খুশি হয়। প্রত্যেকের কাছে দলের জয়টাই আসল।’‌
টি২০ বিশ্বকাপের বছর ভারত কেন এত একদিনের ম্যাচ খেলছে?‌ ভারতীয় কোচের জবাব, ‘‌একদিনের সিরিজগুলোকেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ধরে নিচ্ছি আমরা। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মানসিক দৃঢ়তার পরীক্ষা দিয়েছি। চাপের মুখে দল কেমন খেলছে সেটা বোঝা গেছে। ওয়াংখেড়েতে ওরা দুরমুশ করার পর দল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এককথায় অসাধারণ। বিরাট বলেছে, দল সাহসী ক্রিকেট খেলেছে। সত্যিই তাই। আমরাও যে নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে পারি প্রমাণ হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। যা নিঃসন্দেহে কাজে লাগবে টি২০ বিশ্বকাপে। এই দলটা বর্তমানে বাঁচে। অতীত আঁকড়ে থাকে না।’‌ 
দল নিয়ে এত ইতিবাচক হলেও, শিখর ধাওয়ানের চোট তাঁকে হতাশ করেছে। শাস্ত্রী বলেছেন, ‘‌ধাওয়ানের মতো সিনিয়র প্লেয়ারকে আমরা পাচ্ছি না। খারাপ লাগছে। কেউ যখন চোট পেয়ে ছিটকে যায় তখন দলের সবারই খারাপ লাগে। ও যথার্থই ম্যাচ উইনার।’‌
এক সময় রীতিমতো চর্চায় থাকা কুলদীপ–চাহাল জুটিকে অনেকদিন একসঙ্গে খেলতে দেখা যাচ্ছে না। আবার কী দেখা যাবে?‌ শাস্ত্রী বলেছেন, ‘‌আমরা ভাবনা–চিন্তা করব। তবে পিচ দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’‌ ‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top