দেবাশিস দত্ত- জাতীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান এম এস কে প্রসাদকে সরানোর জন্য ভারতীয় বোর্ডের ওপর নানা মহল থেকে চাপ তৈরি হচ্ছে। প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে প্রাক্তন কর্তা— আছেন অনেকেই। চার বছরের মেয়াদ শেষ প্রসাদের। কিন্তু বোর্ড চাইলে আরও এক বছর থাকতে পারেন। প্রসাদের সমর্থকরা নতুন কর্তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, ২০২০ সালের টি‌২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা পর্যন্ত যেন তাঁকে রাখা হয়। ১ ডিসেম্বর বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ নিয়ে আলোচনা হবে।
শ্রীনিবাসনরা চাইছেন, দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রসাদকে সরিয়ে তামিলনাড়ুর লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণানকে নির্বাচক সমিতিতে নেওয়া হোক এবং চেয়ারম্যান করা হোক। তবে অন্দরের খবর, চেয়ারম্যান পদে অনেকে দিলীপ বেঙ্গসরকারকে চান। বাজিয়ে দেখা হচ্ছে, তিনি ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটিতে থাকতে আগ্রহী কিনা। বেঙ্গসরকার নির্বাচক হতে ইচ্ছুক। এখন প্রশ্ন, নির্বাচক সমিতিতে সদ্য আগত যতীন পরাঞ্জপেকে এত সহজে সরিয়ে দেওয়া যাবে কিনা।‌ মুম্বইয়ের ক্রিকেটমহল মনে করছে, দিলীপের দিকেই পাল্লা ঝুঁকে থাকবে। 
স্বার্থের সঙ্ঘাতের জন্য অনেক প্রাক্তন ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটিতে আসতে চাইছেন না। শচীন, লক্ষ্মণ, সৌরভ, কপিলদেবের মতো ক্রিকেটাররা ওই দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই। তাই প্রাক্তনদের অনেকের আগ্রহ কম। অনেকে ওই কমিটির জন্য গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথের নাম করছেন। তবে তঁার বয়স ৭০ পেরিয়ে যাওয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে হবে। বোর্ডে আপাতত শুরু হয়েছে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া। বোর্ড সদস্য রাজীব শুক্লা আবার সহ সভাপতি হতে চান। সেক্ষেত্রে বর্তমান সহ সভাপতি উত্তরাখণ্ডের মাহিম বর্মাকে পদত্যাগ করতে হবে। মাহিমকে এই শর্তেই পদ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচক গগন খোড়ার মেয়াদ শেষ। তাঁর জায়গায় জ্ঞানেন্দ্র পান্ডের আগমন প্রায় পাকা। ‌‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top