সংবাদ সংস্থা, চেন্নাই: শিখর ধাওয়ানের পরিবর্ত হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে দলে জায়গা পেয়েছেন। কুঁকড়ে নেই এতটুকু। বরং মায়াঙ্ক আগরওয়াল জানালেন, পরিকল্পনা যদি ঠিক থাকে তা হলে এক ঘরানা থেকে অন্য ঘরানায় খেলতে সমস্যা হয় না। 
হঠাৎ ঘরানা বদল নিয়ে মন্তব্যের কারণ?‌ মায়াঙ্ক ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘‌যত বেশি খেলার সুযোগ পাব, আমার পক্ষে ততই ভাল। কারণ না খেলে হাত গুটিয়ে বসে থাকার থেকে খেলার মধ্যে থাকাটা সবসময়ই ভাল। এক ঘরানায় খেলতে খেলতে অন্য ঘরানায় খেলা অনেক সময় কঠিন মনে হয়। তবে পুরোটাই মানসিক ব্যাপার। কারণ যে ঘরানাতেই খেলি না কেন প্রাথমিক বিষয়গুলো তো একই থাকে। তাই পরিকল্পনা যদি ঠিক ও স্বচ্ছ থাকে, খেলাটা যদি ঠিকঠাক বুঝতে পারি তা হলে এই বদলে কোনও সমস্যাই হবে না।’‌ 
টেস্ট ক্রিকেটই হোক বা সীমিত ওভারের ক্রিকেট মায়াঙ্ক লক্ষ্যে স্থির থাকতেই অভ্যস্ত। বলেছেন, ‘‌যে ঘরানাতেই খেলি না কেন মাথায় একটাই বিষয় ঘুরপাক খেতে থাকে। দলকে কীভাবে সাহায্য করব। যদি ব্যাট হাতে রান না পাই তা হলে ফিল্ডিংয়ে ছাপ রাখার চেষ্টা করি।’‌ 
মায়াঙ্ককে হাতের কাছে পেয়ে একের পর এক প্রশ্ন করছিলেন চাহাল। চাহাল টিভিতে। প্রশ্নের ফাঁকে চলছিল খুনসুটিও। ট্রোলও করেন মায়াঙ্ককে। লেগস্পিনার নিজের রোগা–সোগা  হাত মুঠো করে বক্সিংয়ের ভঙ্গিতে মায়াঙ্ককে বলে ওঠেন, ‘‌তুমি কি জিম থেকে এলে নাকি?‌’‌ মায়াঙ্কের বাইসেপ আছে। তাঁরও আছে। ইঙ্গিতটা ছিল সেরকমই। চাহালের এই ভঙ্গি দেখে হেসে লুটোপুটি তখন মায়াঙ্ক। 
তবে এই রসিকতার মধ্যেই মায়াঙ্কের কাছে তাঁর সাফল্যের রহস্য জানতে চান চাহাল। মায়াঙ্ক বলেছেন, ‘‌আমি প্রতিটা ম্যাচ, প্রতিটা টুর্নামেন্ট জেতার চেষ্টা করি। এইভাবে ভাবলে মানসিকতাও ভাল থাকে। সব সময় ১০০ শতাংশ রেজাল্টই পাওয়া যাবে এটা হয়তো হয় না। তবে ভাল পারফর্ম করার মানসিকতা তৈরি হয়।’‌ ‌(ফাইল ছবি)

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top