আজকালের প্রতিবেদন: স্বার্থের সঙ্ঘাত প্রসঙ্গে বিচারপতি ডি কে জৈনের সামনে তিনি যা বলার, তা বলে দিয়েছেন। নতুন করে আর কিছু বলার দরকার নেই। তাই ভিভিএস লক্ষ্মণ মনে করেন, পরবর্তী শুনানির দিন ২০ মে তঁার সশরীরে উপস্থিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সেই দিন বরং তঁার আইনজীবীকে পাঠাতে চান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে লক্ষ্মণকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, প্রয়োজনে তিনি ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটি থেকে পদত্যাগ পর্যন্ত করতে প্রস্তুত, যদি কারও মনে হয় যে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকাটা স্বার্থ–‌সঙ্ঘাতের পর্যায়ে পড়ে। এর চেয়ে বড় কথা আর কী হতে পারে!‌ সরাসরি লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছেন অম্বুডসম্যানকে তঁার এই সিদ্ধান্তের কথা। সত্যিই তো আর শুনানিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই!‌ একই সঙ্গে বোর্ডের এথিক্স অফিসারকে লক্ষ্মণ একই কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
এবার?‌ কীভাবে এগোবেন অম্বুডসম্যান?‌
কেউ জানে না। শুধু এটা জানানো হয়েছে যে, বিস্তারিতভাবে লক্ষ্মণ এবং তেন্ডুলকার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তঁাদের কিছুতেই স্বার্থ–‌সঙ্ঘাতের আওতায় এনে ফেলা যায় না। একই সঙ্গে নানা যুক্তি পেশ করেছেন দুজনেই। এর পরও যদি লক্ষ্মণকে দোষী সাব্যস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে তিনি বোর্ডের পরামর্শদাতার পদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দঁাড়াবেন। তখন আর লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে স্বার্থ–‌সঙ্ঘাত সম্পর্কিত কোনও অভিযোগ তোলা যাবে না। এটা বলার পর, কেনই বা তিনি আবার অম্বুডসম্যানের ডাকে সাড়া দিয়ে পরবর্তী শুনানির দিন হাজির হবেন?‌ বল আপাতত অভিযোগকারী এবং বোর্ডের কোর্টে। তঁারা পরবর্তী ৭ দিনে আবার খুঁটিয়ে দেখবেন, লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে এরপরও একই অভিযোগ আনা যায় কিনা।‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top