আজকালের প্রতিবেদন: একটা সময় লাল–হলুদ সমর্থকদের নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। উল্টোদিকে মোহনবাগান সমর্থকদের ‘হৃদয়ে’ রাখেন, এমনটাই বলেছিলেন আনসুমানা ক্রোমা। বুধবার  লাল–হলুদে সইয়ের পর তঁারই মুখে শোনা গেল ‘জয় ইস্টবেঙ্গল’।
এদিন দুপুরে কোয়েসের দপ্তরে সইয়ের পর ক্রোমা বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলের সদস্য হতে পেরে খুশি এবং গর্বিত। ইস্টবেঙ্গল আমার কাছে বাড়ির মতো। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
মার্কোস এসপাদার সঙ্গে ক্রোমাকে জুড়ে দেওয়ায় ইস্টবেঙ্গলের অ্যাটাকিং লাইন ধারালো হল কিনা তা বলবে ভবিষ্যৎ। চলতি মরশুমে পিয়ারলেসের হয়ে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন, পিয়ারলেসকে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন করিয়েছিলেন।
চলতি মরশুমে এতদিন ইস্টবেঙ্গলের ১০ নম্বর জার্সির মালিক ছিল না। বিদায়ী কোচ আলেসান্দ্রো সমর্থকদের উৎসর্গ করেছিলেন জার্সিটা। ক্রোমার গায়ে উঠতে চলেছে সেই ১০ নম্বর জার্সি।
আইএফএ–তে সই করে বেরনোর সময় বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। নিজের সেরাটা দেব।’ শতবর্ষে ক্লাবকে আই লিগ ট্রফি দিতে পারবেন? ‘আমি নিজে আপ্রাণ চেষ্টা করব। তবে ফুটবল টিম গেম। ট্রফি পেতে সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে।’ কোচ নেই। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দল। মানিয়ে নিতে সমস্যা হবে না তো? ক্রোমার জবাব, ‘সব বুঝতে পারছি। সমর্থকদের ধৈর্য ধরতে হবে।’ লিগ টেবিলে দল ভাল জায়গায় নেই। এবারে কি ইস্টবেঙ্গল পারবে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে? ক্রোমার কথায়, ‘নিশ্চয়ই সম্ভব। ফুটবলে কখন কী হয়, বলা যায় না। ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী।’ একটা সময়ে মোহনবাগান সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন। ইস্টবেঙ্গলে সই করে ক্রোমা বলেন, ‘আমি দুটো ক্লাবেই খেলেছি। দুটো ক্লাবের সমর্থকদের শ্রদ্ধা করি। আমি পেশাদার ফুটবলার। আমার কাছে দু’দলের সমর্থকরাই সমান। একটা সময়ে কোনও কারণে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ওপরে বিরক্ত ছিলাম। তাই বলেছিলাম। দুটো ক্লাবকেই পছন্দ করি। ইস্টবেঙ্গলকে পছন্দ না করলে এই ক্লাবে কী আর ফিরতাম।’ 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top