আজকালের প্রতিবেদন: যাই কর না কেন, সবার মন পাওয়া দায়। মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্ষেত্রেও নিন্দুকদের মনোভাব সেরকম। তিনি যতই ক্ষুরধার সিদ্ধান্ত নিন, উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে বোলারদের লাইন, লেংথ, ফিল্ডিং সাজানো নিয়ে পরামর্শ দিন, তাঁর নিন্দুকরা এর পরও বলেন, ‘‌বয়স হয়েছে। আগের মতো জোরালো শট আর মারতে পারে না। একদিনের ক্রিকেটে যে দ্রুত স্ট্রাইক বদলাতে হয়, সেটাও ঠিকঠাক আর পারছে না।’‌ মাহির এই নিন্দুকদের একহাত নিলেন বিরাট কোহলি। ভারত অধিনায়ক কড়া ভাষাতেই বললেন, ‘‌লোকের বোধহয় ধৈর্য কমছে!‌ না হলে কি আর ধোনিকে নিয়ে এমন সমালোচনা করতেন?‌ এক–আধদিন খারাপ গেলেই, সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। তারপর থামতেই চায় না কেউ, কেউ!‌ কিন্তু সত্যিটা হল, সবচেয়ে বুদ্ধিমান ক্রিকেটারের নাম এমএস ধোনি। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ও যা যা করে, যে যে পরামর্শ দেয়, তার কোনও তুলনা হয় না। এককথায় অমূল্য। ও এগুলো করে বলে, ওর মতো একজন অভিজ্ঞ প্লেয়ার আমার দলে আছে বলেই, আমি স্বাধীনভাবে নিজের কাজটা করতে পারি।’‌
ধোনিকে নিয়ে এত কথা বলার পর, কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন কোহলি। নিন্দুকরা বলেন, ক্যাপ্টেনের কথায় কোচ জো হুজুর মনোভাব দেখান। কিন্তু কোহলি উল্টো কথা বলেছেন, ‘‌অটো–মোড বলতে আমরা যা বুঝি, শাস্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কটা এখন সেরকম। আমরা দুজনে মিলেই দলের সংস্কৃতি বদলেছি। প্লেয়াররাও দারুণ সঙ্গ দিয়েছে। আমাদের দল সম্পর্কে যে ধরনের খবর প্রচারিত হয়, ভেতরের ছবিটা ঠিক তেমন নয়। আমরা একটা দল। সবাই মিলে আমরা দলকে এই জায়গায় নিয়ে গেছি। কোনও একজন ব্যক্তি নয়।’‌ 
এদিকে বিশ্বকাপ দলে ঋষভ পন্থকে না নিয়ে কেন দীনেশ কার্তিককে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা থামতেই চাইছে না। আরও একবার এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন কোহলি, ‘‌চাপের মুখে কার্তিক যেভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে খেলে, সবাইকে সেটাই ভাবিয়েছে। কার্তিকের ওপর আস্থা রাখার কারণও এটাই। আসলে ও অভিজ্ঞ। যদি কোনও কারণে, ধোনি চোট পায়। তা হলে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে কার্তিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে। ফিনিশার হিসেবেও ও সফল। এই দিকগুলো ভেবেই আমরা 
সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’‌ ‌‌‌

বিশ্বকাপের আগে একটু অবসর। গোয়ায় ছুটি কাটাচ্ছেন বিরুষ্কা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top