কেরালা ব্লাস্টার্স ১  এসসি ইস্টবেঙ্গল ১
(‌মারে)‌               (‌নেভিল)‌


আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রথম লেগের পুনরাবৃত্তি যেন। সেই ম্যাচে শেষমুহূর্তে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আর শুক্রবার সেই দলের বিরুদ্ধেই স্কট নেভিলের শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচাল লাল–হলুদ ব্রিগেড। ৬৪ মিনিটে মারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল কিবু ভিকুনার দল। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক আগে কর্নার থেকে গোল করে দলের হার বাঁচালেন নেভিল। টুর্নামেন্টের গোড়ার দিকে যে নেভিলকে কার্যত অপছন্দ করছিলেন লাল–হলুদ সমর্থকরা, সেই নেভিলই এদিন দলকে বাঁচালেন। 
শুক্রবার ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল শিবির। ওয়ার্ম আপ করার সময় চোট পান রাজু গায়কোয়াড। সেকারণে প্রথম একাদশে ড্যানি ফক্সের পাশে শুরু থেকে খেলেন রানা ঘরামি। রাজু থাকলে লম্বা থ্রো নিতে পারতেন। তা থেকে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি করতে পারতেন রবি ফাওলারের ছেলেরা। রাজু না থাকায় লম্বা থ্রোও হয়নি। তা থেকে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়নি। খেলার শুরুর দিকে গোল করার মতো জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল দু’দলই। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই দু’দলের গোলকিপার ত্রাতা হয়ে ওঠেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতোই কিবু ভিকুনার দলের টুর্নামেন্টের শুরুটা খারাপ হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে কিবুর দলের পারফরম্যান্সের গ্রাফ ভাল হতে শুরু করেছে। 
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে প্রায় গোল পেয়ে গিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালার রক্ষণভাগের এক খেলোয়াড়ের ভুলে প্রায় গোল করে ফেলেছিল ফাওলারের দল। এরপর আক্রমণের চাপ বাড়ায় কেরালা। ৬৪ মিনিটে কেরালাকে এগিয়ে দেন মারে। কেরালা গোলরক্ষক অ্যালবিনো গোমজের লম্বা শট নেভিল এবং রানার ভুলে চলে যায় মারের পায়ে। তা থেকে গোল করতে ভুল করেননি কিবুর দলের এই খেলোয়াড়। গোল হজম করে পাল্টা লড়াই শুরু করে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু মাঘামো–ব্রাইটরা কেউই তেমনভাবে গোলের মুখ খুলতে পারেননি। পরিবর্ত হিসেবে নামা অ্যারনও ম্যাচের শেষদিকে সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। সবাই যখন ধরেই নিয়েছেন ম্যাচ বেরিয়ে গিয়েছে হাত থেকে, ঠিক সেই সময়েই স্কট নেভিলের ছোবল। প্রায় হারতে বসা ম্যাচ ড্র করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। 

ছবি:‌ আইএসএল টুইটার


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top