‌আজকালের প্রতিবেদন: আই লিগের প্রথম দু’‌ম্যাচ ড্র করার পর নেরোকার বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয় লাল–‌হলুদ ব্রিগেডের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে শনিবার কল্যাণীর মাঠে ট্রাউয়ের মুখোমুখি হওয়ার আগে। আবার একইসঙ্গে কোচ আলেসান্দ্রো মানতে না চাইলেও নির্বাসনের কারণে ট্রাউ ম্যাচে কোলাডোর না থাকা কিছুটা হলেও চিন্তায় রাখছে ইস্টবেঙ্গল বাহিনীকে। সেটা ম্যাচের আগের দিন কোচ আলেসান্দ্রোর কথাতেই স্পষ্ট।
দু’‌ম্যাচ হেরে কোণঠাসা ট্রাউয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে জয় পাওয়া কি সহজ নয়, এই প্রশ্ন ইস্টবেঙ্গল কোচের জবাব, ‘প্রতিকূল পরিস্থিতি, পরিবেশ ও আবহাওয়ায় নেরোকার বিরুদ্ধে দাপুটে জয় দলের মনোবল বাড়িয়েছে ঠিকই, কিন্তু আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনও কারণ নেই তার জন্য। প্রতিপক্ষ ট্রাউ যতই গত দু’‌ম্যাচ হারুক, ওদের বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন। দলে কোয়ালিটি ফুটবলার আছে। ওরা পয়েন্ট পেতে লড়বে। তাই আগাগোড়া সতর্ক থাকতে হবে আমাদের ৩ পয়েন্ট পেতে।’‌ 
কোলাডোর না থাকা দলের খেলায় কতটা প্রভাব ফেলবে?‌ কোলাডো কি পাঞ্জাব ম্যাচে নির্বাসিত হওয়ার মতো দোষ করেছিলেন?‌ আলেসান্দ্রোর মতে, ‘কোলাডো তেমন কিছুই করেনি। ম্যাচের শেষদিকে একটা গোলের সুযোগ পেয়েছিল। সেটা প্রতিপক্ষ ফুটবলার হাত লাগিয়ে নষ্ট করে দেয়। রেফারি কাছে থেকেও পেনাল্টি দেননি। এতে হতাশায় বলে এলোমেলো লাথি মেরেছিল কোলাডো। কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা আঘাত করার জন্য নয়। আশা করি কোলাডোর জবাবে সন্তুষ্ট হবে শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটি। ২০ ডিসেম্বর কোলাডো ছাড় পেয়ে যাবে। তার আগে ট্রাউ ম্যাচে কোলাডোর না থাকা নিয়ে ভাবছি না। বাকি যারা আছে, তাদের নিয়ে জেতায় ফোকাস করছি।’‌ 
ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মার্কোস অবশ্য বললেন, ‘কোলাডো দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার, প্লে মেকার। ও থাকলে ভালই হত।’‌ 
এদিকে, লাইসেন্সিং শর্ত পূরণ না হওয়ায় ট্রাউ রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন না ডগলাস। থাকবেন সুরমনি সিং। বলেন, ‘‌কোচিং এখনও করাচ্ছেন ডগলাস। ম্যাচটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইস্টবেঙ্গল বড় দল। লড়াই সহজ নয়। তবে পয়েন্ট না পেলে আরও তলিয়ে যাবে দল।’‌ ট্রাউয়ের বাঙালি সাইডব্যাক অভিষেক দাসের মুখেও পয়েন্ট পাওয়ার মরিয়া ভাব। এসবের মধ্যে একটা জিনিস পরিষ্কার, এই ম্যাচে ট্রাউ হারলে ডগলাসের চাকরি যাবে।‌

 

শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে ক্রেসপি, গঞ্জালেস। ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top