মহামেডান (‌আদজা ২)‌  ২ 
ইস্টবেঙ্গল (‌অ্যাকস্টা)‌    ১
 
আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লিগ প্রায় পেয়েই গেল মোহনবাগান। যদি–কিন্তু সামান্য আছে। বুধবার কাস্টমসের সঙ্গে ড্র করলেই লিগ মোহনবাগানের। আট বছরের অপেক্ষা অবশেষে মিটতে চলেছে শঙ্করলাল বাহিনীর। যুবভারতীতে মঙ্গলবারের মিনি ডার্বিতে মহামেডান হারিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গলকে। খেলার ফল ২–১। পিয়ারলেসের পর মহামেডান। টানা দুটি ম্যাচে হারতে হল সুভাষ বাহিনীকে। লিগ টেবিলের যা পরিস্থিতি তাতে ইস্টবেঙ্গলের ১০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট। ৯ ম্যাচ খেলে মোহনবাগানের সংগ্রহ ২৩। শেষ ম্যাচে এফসিআইকে হারালেও ২৩ পয়েন্টের বেশি যেতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। আর বুধবার নিজেদের মাঠে কাস্টমস ম্যাচটা ড্র করতে পারলেই লিগের রঙ হবে সবুজ–মেরুন। লিগ উঠবে সবুজ–মেরুনের ঘরে। 
যুবভারতীতে মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপার জনি অ্যাকস্টা। ডোবালেনও তিনি। সুপার সাব হয়ে গেলেন আদজা। জোড়া গোল করলেন ৭৩ মিনিটে মাঠে এসে। ১২ মিনিটে কর্ণার পেয়েছিল লাল–হলুদ। ফানাইয়ের কর্ণার থেকে গোল লক্ষ্য করে শট নেন রালতে। কিন্তু সেই শট আংশিক প্রতিহত করেন সাদা–কালো গোলকিপার অরূপ। বক্সের মধ্যে সেই বল ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাকস্টার কাছে এলে তিনি গোল করতে ভুল করেননি। 
এই একটা গোল ছাড়া কিন্তু লাল–হলুদকে সেভাবে চেনা যায়নি। বরং অনেক অনুপ্রাণিত ফুটবল খেলল রঘু নন্দীর ছেলেরা। দ্বিতীয়ার্ধের গোটাটাই তো মহামেডানের। সমতা আগেও ফেরাতে পারত মহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধে গোললাইন সেভ করেন অ্যাকস্টা। কিন্তু ৮৭ মিনিটে বিশ্বকাপারের ভুলেই গোল খেয়ে বসল ইস্টবেঙ্গল। ৭৩ মিনিটে মাঠে আসা আদজার কাছ থেকে বল কাড়তে গিয়ে ফলস খেয়ে গেলেন বিশ্বকাপার। লাল–হলুদ গোলরক্ষক রক্ষিত ডাগারকে কাটিয়ে তিনকাঠিতে বল রাখলেন আদজা। আর ইনজুরি টাইমে ফাঁকায় বল পেয়ে আবার লাল–হলুদ গোলকিপারকে কাটিয়ে দ্বিতীয় গোলটা করে গেলেন। ম্যাচের সেরা তো বটেই। সুপার সাব একেই বলে।  
 
 ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top