‌আজকালের প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার মাঝরাতে স্পেন থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিদেশি ভিক্টর আলোনসো পেরেজ। কয়েকঘণ্টা হোটেলে কাটিয়ে তিনি শুক্রবার সকালে সল্টলেক স্টেডিয়ামের ট্রেনিং পিচে ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে হাজির হন। দীর্ঘ বিমানযাত্রার ক্লান্তি ছিল, তাই গোটা দলের সঙ্গে গা না ঘামালেও ফিজিকাল ট্রেনারের সঙ্গে আলাদা কিছুটা সময় বল নিয়ে নাড়াচাড়া করেন ভিক্টর। আসলে ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা চেয়েছিলেন, ভিক্টর দলের সঙ্গে যান রবিবারের ট্রাউ ম্যাচ খেলতে। তাঁর ইচ্ছামতোই সন্ধেয় আইএফএ দপ্তরে এসে সইও সারলেন ভিক্টর। ট্রাউয়ের বিরুদ্ধে খেলতে শনিবার দলের সঙ্গে ইম্ফলও যাচ্ছেন তিনি। 
একদা বেঙ্গালুরু এফসি–‌তে এক ম্যাচ খেলা ভিক্টর আত্মবিশ্বাসী লাল–‌হলুদ জার্সিতে সেরা দেওয়া নিয়ে। বলেন, জানুয়ারি পর্যন্ত ম্যাচ প্র‌্যাকটিসে ছিলাম। আপাতত বিমানযাত্রার ধকল থাকলেও দ্রুত দলের সঙ্গে মানাতে সমস্যা হবে না। ট্রাউ ম্যাচে কোচ চাইলে মাঠে নামতে তৈরি। লক্ষ্য একটাই, ইস্টবেঙ্গলকে লিগ টেবিলের ওপর দিকে নিয়ে যাওয়া।
এদিকে, ভিক্টরের দলে যোগদানের দিন বড়সড় ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল। ফিফার দেওয়া শাস্তির মুখে পড়ল তারা, জাপানি ফুটবলার কাৎসুমি ইউসার অভিযোগের ভিত্তিতে। ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি বিষয়ে গোলমালের জেরে শাস্তি পাওয়া লাল–‌হলুদ শিবিরে নতুন নয়। এর আগে একবার ট্রান্সফার ব্যানের মুখেও পড়তে হয়েছে তাদের। এবারও আর্থিক জরিমানা সময়মতো না মেটালে, ট্রান্সফার ব্যানের মুখে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। ২০১৭–‌‌১৮ মরশুমে কাৎসুমি ছিলেন ইস্টবেঙ্গলে। পরের মরশুমেও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও কোয়েস ইস্টবেঙ্গল কর্তারা রাখেননি কাৎসুমিকে। প্রতিশ্রুতিমতো অর্থও দেননি। এতে ক্ষুব্ধ কাৎসুমি ফিফায় অভিযোগ জানান। তদন্তের ভিত্তিতে ফিফার সিদ্ধান্ত, ৪৫ দিনের মধ্যে কাৎসুমিকে ১৭ লাখ টাকা ও ২০১৮ মরশুম থেকে বকেয়া টাকার ওপর আরও ৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। অন্যথায় ইস্টবেঙ্গলের ট্রান্সফার ব্যান হয়ে যাবে। কাৎসুমির এই টাকা যে দ্রুত মিটিয়ে দেবে ইস্টবেঙ্গল, সেটা বলাই বাহুল্য। নইলে জনি অ্যাকোস্টা বা নতুন কোনও দেশি–‌‌বিদেশি এই মরশুমে বা পরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে নেওয়া আটকে যাবে।‌

মাঝরাতে পৌঁছেই অনুশীলনে ভিক্টর। ছবি: রনি রায়

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top