মোহনবাগান – ১, গোকুলম – ২
আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ শেষ মুহূর্তে গোকুলামের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের হাতে বল লাগল, তাও কেন পেনাল্টি দিলেন না রেফারি?‌ সেই বিতর্ক চাগিয়ে দিয়েই শেষ হল কলকাতায় আয়োজিত ডুরান্ডের ফাইনাল। জোসেফের জোড়া গোলে কেরলের দল হারিয়ে দিল মোহনবাগানকে। 
মাঝমাঠ ভাল খেললেও আক্রমণ ভাগ ও রক্ষণভাগের ভুলেই এদিন ট্রফি হাতছাড়া করতে হল বাগান শিবিরকে। একা জোসেফকে আটকাতেই হিমশিম খেলেন বাগান ডিফেন্ডাররা। প্রথম অর্ধের খেলা যখন প্রায় শেষের মুখে, তখন মার্কাস জোসেফের পাস ধরে প্রাক্তন মোহনবাগানি হেনরি কিসেকা পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনকাঠির খুব কাছে। আর তাঁকে আটকাতে গিয়ে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন গোলকিপার দেবজিত মজুমদার। পেনাল্টি থেকে ডুরান্ড কাপে নিজের ১০ নম্বর গোল করে গোকুলমকে এগিয়ে দেন সেই মার্কাস জোসেফ। প্রথমার্ধ জুড়ে বাগান শিবিরই তাঁদের আধিপত্য দেখিয়েছিল। অনবদ্য উইং প্লে বারবার গোকুলমের আক্রমণ ভাগে ত্রাসের সৃষ্টি করে। তাও, গোল মেলেনি। বাগানের স্ট্রাইকাররা আজ যেন গোলের ঠিকানাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যাই হোক, প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে গোল পায় গোকুলাম। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বাগান। আগের ম্যাচের হিরো সুহেরের বাঁ’পায়ের জোরালো শট দারুণ বাঁচান উবেইদ। কিন্তু ৫২ মিনিটের মাথায় ফের ধাক্কা দেন জোসেফ। অফসাইড ট্র্যাপ কাটিয়ে বল ধরে বক্সে ঢুকে দেবজিতের ডান দিক দিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান জোসেফ। এর পর থেকে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে মোহনবাগান। ৬৩ মিনিটের মাথায় বেইতিয়ার ফ্রিকিক থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমান বাগানের স্প্যানিশ স্ট্রাইকার চামোরো। ৮৬ মিনিটের মাথায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জাস্টিন জর্জ। বাকি সময়ে ১০ জনের গোকুলাম ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি বাগান। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে প্রথম ডুরান্ড কাপ জেতে গোকুলাম। শেষে, মানে একেবারে অতিরিক্ত সময়ের খেলা চলাকালীন একটি সহজ সুযোগ পায় বাগান। কিন্তু ভাগ্য ফেরেনি বাগানের। শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরতে হয় সবুজ মেরুনকে। 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top