আজকালের প্রতিবেদন- খারাপ খবর। ২০২০–র টোকিও অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিক্সে ভারতের পদক জয়ের সম্ভবনা বড়সড় ধাক্কা খেল। হাঁটুর চোটের জন্য এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নেই দীপা কর্মকার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়েও রয়েছে সংশয়। এ বছর মার্চ মাসে বাকুতে বিশ্বকাপের সময় দীপার হাঁটুর চোট বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে দোহা বিশ্বকাপ থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। একের পর এক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায়, প্রয়োজনীয় র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট হারাচ্ছেন রিও অলিম্পিকে চতুর্থ হওয়া এই জিমন্যাস্ট। ১৩ থেকে ১৬ জুন মঙ্গোলিয়ায় এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ। চোট সারতে কত সময় লাগবে?‌ দীপার কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী জানিয়েছেন, ‘‌বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আগেই দীপা ফিট হয়ে যাবে, এরকম কোনও নিশ্চয়তা আমি দিতে পারব না। তবে হ্যাঁ, আপাতত দীপার প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ হিসেবে ওই টুর্নামেন্টকেই টার্গেট করছি। তারপর যোগ্যতা অর্জনের জন্য খুব বেশি টুর্নামেন্ট আমাদের হাতে থাকবে না।’‌ দীপার কোচ দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে না বললেও, সেপ্টেম্বর নাগাদ ছাত্রী সুস্থ হয়ে উঠতে পারে বলে তাঁর আশা। জার্মানিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ৪ থেকে ১৩ অক্টোবর। 
এদিকে জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দীপার বাঁ পায়ের হাঁটুতে সম্প্রতি ছোটোখাট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। কিন্তু কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী ব্যাপারটা অস্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার আগরতলায় তাঁকে ফোন করলে বললেন, ‘‌না, অস্ত্রোপচার হয়নি। এটা ঠিক, দীপার চোটের জায়গায় নানা ধরনের চিকিৎসা করিয়েছি আমরা। এখন রিহ্যাব চলছে।’‌ 
এই যে চোট, তাতে কী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন দীপা?‌ কোচ বলেন, ‘‌ব্যথা লাগলে, যে কোনও লোকেরই যন্ত্রণা হয়। দীপাও সেই যন্ত্রণা পেয়েছে। তবে ও নিজেই বলেছে, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরব। আমিও সেটাই বিশ্বাস করি। ও পারবে।’‌ উল্লেখ্য, টোকিও অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে হলে, আটটা বিশ্বকাপের মধ্যে যে কোনও পাঁচটা টুর্নামেন্ট বেছে নিয়ে, তার মধ্যে তিনটেতে পদক পেতেই হবে দীপাকে। ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top