আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ব্রিসবেন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের থেকে সামান্য হলেও এগিয়ে রইল অসিরা। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের প্রথম ইনিংসের স্কোর ২ উইকেটে ৬২। এর আগে অসিরা প্রথম ইনিংসে অল আউট হয় ৩৬৯ রানে। প্রথম দিনের ৫ উইকেটে ২৭৪ রান থেকে শুরু করে টিম পেইন এবং গ্রিনের জুটি অসিদের এদিন পৌঁছে দেয় ৩১৩ রান পর্যন্ত। ব্যক্তিগত ৫০ রানে অধিনায়ক পেইনকে ফেরান শার্দূল ঠাকুর। সুন্দরের বলে গ্রিন আউট হন ৪৭ রানে। শেষদিকে স্টার্ক এবং লায়ন ২০ এবং ২৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। ভারতের হয়ে ৩ টি করে উইকেট নেন অভিষেক হওয়া টি নটরাজন ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ৩ উইকেট পেলেন শার্দূল ঠাকুরও। মহম্মদ সিরাজের দখলে ১ উইকেট। 
দ্বিতীয় দিনের দিনের শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি ভারত। অসিদের শেষ পাঁচটি উইকেট ৯৫ রানের মধ্যেই তুলে নিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। মধ্যাহ্নভোজনের বিরতির আগেই অসিদের প্রথম ইনিংস ৩৬৯ রানে থামিয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ব্যাট করতে গিয়ে শুরু হয় বিপত্তি। যে ওপেনিং জুটি আগের টেস্টে টিম ইন্ডিয়াকে ভরসা দিয়েছিল, তারাই এদিন হতাশ করলেন। অফ স্ট্যাম্পের অনেকটা বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে ফিরলেন শুভমান গিল (‌৭)‌। তাঁকে ফেরান কামিন্স। আর রোহিত যেভাবে আউট হলেন, টেস্ট ক্রিকেটের ভাষায় সেটাকে বলে ‘সুইসাইডাল’। গিলের উইকেটের পর পুজারার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ ভালই খেলছিলেন রোহিত। নিয়মিত রান আসছিল তাঁর ব্যাট থেকে। দেখে মনে হচ্ছিল, টিম ইন্ডিয়ার ভাইস ক্যাপ্টেন এবার লম্বা ইনিংস খেলতে চলেছেন। কিন্তু তখনই ছন্দপতন। অনেকটা টি–২০ ক্রিকেটের ধাঁচে লায়নের বলকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে নিজের উইকেটটি ছুঁড়ে দিয়ে এলেন তিনি। তার আগেই অবশ্য ৪৪ রান করে ফেলেছিলেন হিটম্যান। এদিন যেভাবে রোহিত আউট হলেন, তা অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকার বলছিলেন, ‘‌রোহিতের এই শট অপ্রয়োজনীয় এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। এককথায় ক্ষমার অযোগ্য। যে শট তিনি খেললেন তার কোনও ব্যাখ্যাও হয় না।’‌ রোহিতের উইকেটের পর চা পানের বিরতি পর্যন্ত কোনওক্রমে ক্রিজে পড়ে রইলেন রাহানে (‌২)‌ এবং পুজারা (‌৮)‌। চা পানের পর বৃষ্টির জন্য আর খেলা হয়নি। সেটা খানিকটা হলেও বাঁচিয়ে দিয়েছে ভারতকে। নাহলে হয়তো, দিনের শেষে আরও বেকায়দায় পড়তে পারত টিম ইন্ডিয়া।
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top