আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এশিয়াডে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। তবুও রোজকার জীবন পাল্টায়নি ভারতীয় 'সেপক টকরাও টিম'-এর সদস্য হরিশ কুমারের। দিল্লির বাড়িতে ফিরেই বাবার চায়ের দোকানে কাজে যোগ দিলেন হরিশ। আর করবেনই বা কী!‌ পরিবারে প্রচুর সদস্য। পেট চালাতে তাই চায়ের দোকানেই কাজ করতে হচ্ছে এই অ্যাথলিটকে। ছোট থেকে এভাবেই লড়াই করে আজ এ জায়গায় পৌঁছেছেন, জানিয়েছেন এশিয়াডে পদকজয়ী হরিশ। তিনি বলেন, ‘‌আমার পরিবারে অনেক সদস্য। আর আয়ের রাস্তা খুব কম। তাই আমি চায়ের দোকানে বাবাকে সাহায্য করি। যাতে পরিবারের আয়ের সুরাহা হয়। প্র্যাকটিসের জন্য আমি প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা সময় পাই। আমার সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য আমার একটি চাকরির প্রয়োজন।’‌ ২০১১ সাল থেকেই খেলার নেশায় হুঁদ হয়েছেন হরিশ। কোচ হেমরাজের হাত ধরে স্পোটর্স অথারিটি অফ ইন্ডিয়াতে তার প্রবেশ। এরপর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। হরিশের মা বলেন,‘‌চরম দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে ছেলেকে বড় করেছি। ওর পড়াশোনার পাশাপাশি খেলার খরচ জোগাতেও টাকা জমিয়েছি।’‌ এর আগে হরিশের বাবা চায়ের দোকান চালানোর পাশাপাশি অটো চালাতেন। ছেলে এশিয়াডে সাফল্য পাওয়ার পর বর্তমানে সুসময় ফেরার আশায় দিন গুনছে হরিশের গোটা পরিবার। যদিও চাকরি পাননি বলে সরকারের প্রতি কোনও ক্ষোভ নেই হরিশের। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‌আমি চাই সরকার আমাকে একটি চাকরি দিক। আমি বেকার। আমার বাবা অটো–রিকশা চালায় এবং আমাকে চায়ের দোকানে কাজ করতে হচ্ছে।’‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top