আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি ২০। তিন ফরম্যাটেই বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাস জসপ্রিত বুমরা। তাঁর থেকে ভাল ডেথ বোলার এইমুহূর্তে বিশ্বক্রিকেটে নেই। অথচ সেই বুমরাকেই স্রেফ ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করে বসলেন প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডার। শুধু তাই নয়, আব্দুল রাজ্জাকের দাবি, তিনি নাকি বুমরাকে অনায়াসে সামলে দিতেন। তাঁর বিরুদ্ধে খেলতে নামলে চাপে থাকতে হত টিম ইন্ডিয়ার এক নম্বর পেসারকেই।
আব্দুল রাজ্জাক কেরিয়ারের সেরা সময়েও ভারতের বিরুদ্ধে বড় বেশি সাফল্য পাননি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকুল্যে তাঁর রান আট হাজারও পেরোয়নি। দেশের হয়ে খেলেছেন মাত্র ৪৬টি টেস্ট। ক্রিকেটের কোনও ফরম্যাটেই ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর গড় ৩০ পেরোয়নি। সেই আব্দুল রাজ্জাক এমন একজন বোলারকে কটাক্ষ করছেন, যিনি বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানকে নাকানিচোবানি খাইয়েছেন। রাজ্জাকের দাবি, ‘‌আমার সময় আমি বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে খেলেছি। বুমরার বিরুদ্ধে খেলতে আমার কোনও সমস্যাই হত না। বরং ওকেই চাপে থাকতে হত।’‌ বুমরাকে যে তিনি সর্বকালের অন্যতম সেরাদের মধ্যে ধরেন না, তা বোঝাতে কয়েকটি উদাহরণ টেনে এনেছেন প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডার। তিনি বলছেন, ‘‌আমি গ্লেন ম্যাকগ্রাথ, ওয়াসিম আক্রামের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে খেলেছি। সেই তুলনায় বুমরা আমার কাছে শিশু।’‌ 
প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডারের এই হাস্যকর মন্তব্য নিয়ে রীতিমতো সরগরম নেটদুনিয়া। তাঁকে নিয়ে একদিকে যেমন রসিকতা হচ্ছে, তেমনি কেউ কেউ তাঁকে কটাক্ষের সুরেও বিঁধছেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও রাজ্জাকের দাবিকে হাস্যকর বলেই মনে করছেন। যদিও শেষে ভারতীয় পেসারের খানিকটা প্রশংসাও করেছেন রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, ‘‌বুমরা ইদানিং বেশ ভাল করছে। ওঁর অ্যাকশনটা অদ্ভুত। তাছাড়া ও সঠিক সিমে বল ফেলতে পারে। সেজন্যই ও এত উপযোগী।’‌ 
আবার ভারত অধিনায়ককেও কটাক্ষ করেছেন রাজ্জাক। বিরাটকে ভাল ব্যাটসম্যান বললেও শচীনকে অনেক এগিয়ে রেখেছেন রাজ্জাক। বলেছেন, ‘‌১৯৯২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত বিশ্বক্রিকেটে তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানরা ছিল। এখন তা নেই। বোলিং, ব্যাটিং কিংবা ফিল্ডিংয়ে এই প্রজন্ম অনেক পিছিয়ে। এটা ঘটনা বিরাট কোহলি ধারাবাহিকভাবে রান করছে। কিন্তু শচীন তেন্ডুলকারের সঙ্গে একাসনে বসাতে পারব না। শচীন আলাদা জাতের ব্যাটসম্যান ছিল।’‌ 
‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top