আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌২৭ বছর আগে ট্রাস্টটি গঠন করেছিলেন বিষ্ণুভাটলা আঞ্জানেয় ছায়ানুলু। উদ্দেশ্য ছিল, গরিবদের সেবা। কাজটা অবশ্য এতদিন করেও যাচ্ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের তেনালির এই ট্রাস্ট। কিন্তু লকডাউনে এই পারিবারিক ট্রাস্ট যা করল, তা চিন্তার অতীত। প্রায় চার মাস ধরে ছ’‌ লক্ষ মানুষকে খাওয়ালো তারা।
মার্চের শেষে লকডাউন ঘোষণা হয় দেশে। বহু মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েন। তাঁদের তখন একবেলা খাবার কেনারও ক্ষমতা নেই। বিষ্ণুভাটলার ছোটছেলে বিষ্ণুভাটলা যজ্ঞ নারায়ণ আবাধনি জানালেন, প্রথম দিকে রোজ ৫০ কেজি খাবার রেঁধে তা শহরের বস্তিতে বিলি করতেন তাঁরা।
ধীরে ধীরে বুঝলেন এটা যথেষ্ট নয়। রাস্তায় তখনও বহু মানুষ খাবারের প্রতীক্ষায় বসে থাকতেন। এর পর আবাধনি এবং তাঁর দাদা শহর ঘুরে ঘুরে ১৫টি এলাকা শনাক্ত করেন, যেখানে অন্তত ছ’‌ হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অবশ্যই লকডাউনের কারণে। আর কাজ হারিয়ে অনাহারে ভুগছেন। ওই এলাকাগুলোতেই খাবার দিতে থাকেন বিষ্ণুভাটলা পরিবার। 
লকডাউনে অনেক রাঁধুনিও কাজ হারিয়েছিলেন। তাঁদের বেতন দিয়েই রান্নার কাজে নিয়োগ করা হয়। এভাবে চলতে চলতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়। তথন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন পরিচালক হরিশ শঙ্কর, স্থানীয় রাজনীতিকরা। এভাবে চার মাস ধরে খাবার দিতে থাকেন এই পরিবার। নিজেদের পকেট থেকে খরচ করে প্রায় দু’‌ কোটি টাকা। 

জনপ্রিয়

Back To Top