আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অনলাইনে বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন বছর কুড়ির যুবক। দেখে শুরু হয় হাসাহাসি। ট্রোলিং। যুবক অবশ্য এসবে কান দিতে নারাজ। চতুর্থ বিয়েটা করেই ছাড়বেন তিনি। আর এতে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে তাঁর বাকি তিন স্ত্রীর।
যুবকের নাম আদনান। পাকিস্তানের সিয়ালকোটের বাসিন্দা। ১৬ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন। তখন তিনি স্কুলে। পাত্রী শুম্বল। এর পর এক এক করে আরও দু’‌বার বলে ফেলেন ‘‌কবুল হ্যায়’‌। দ্বিতীয় স্ত্রী শুবানা, তৃতীয় স্ত্রী শাহিদা। 
প্রথম স্ত্রীর গর্ভে তিন সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে দুই সন্তান। তাদের মধ্যে এক জনকে দত্তক নেন তৃতীয় স্ত্রী শাহিদা। তিন স্ত্রীর মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া। কোনওদিন ঝগড়াঝাটি শোনেনি প্রতিবেশীরা। শুধু মাঝে মধ্যে প্রত্যেকেই অভিযোগ করেন, শুধু তাঁকেই নাকি অবহেলা করেন আদনান। এখন তিন স্ত্রী স্বামীকে জোর দিচ্ছেন, চতুর্থ বিয়ের জন্য।
আদনানের শর্ত, চতুর্থ স্ত্রীর নামের আদ্যক্ষরও ‘‌শ’‌ হতে হবে। আর বিয়ের আগে দেখাও করতে চান তিনি। এই বাজারে এত বড় সংসার চালান কীভাবে?‌ আদনানের উত্তর, ছ’‌ কামরার বাড়ি রয়েছে তাঁর। মাসে সংসার চালাতে দেড় লক্ষ টাকার দরকার পড়ে। সেটুকু হয়েই যায়। আসলে প্রথম বিয়ের পরেই নাকি ভাগ্য ঘুরে যায় আদনানের। তার পর উন্নতি হতেই থাকে। আশা, চতুর্থ বিয়ের পর উন্নতি শিখর পৌঁছবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top