আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোভিড মহামারীর ধাক্কা দরিদ্রদের উপরই সব থেকে বেশি পড়েছে। এবং তার প্রভাব সমাজের এই সম্প্রদায়ের উপর যে আরও কয়েক দশক থাকবে সেসম্পর্কে আগেই সতর্কবাণী দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তেমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন বিগত চার দশক ধরে সমাজের দরিদ্র শ্রেণিকে নিয়ে কাজ করা শান্তিতে নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থী। বাংলাদেশি নোবেলজয়ীর মতে, ‘‌সবচেয়ে আশঙ্কার হল এই যে, কয়েক লক্ষ শিশু ফের দাসত্ব, শিশু শ্রমিক, শিশু পাচার বা বাল্যবিবাহের জালে পড়ে যেতে পারে। সরকারকে এখন এবিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। একজন শিশুও যদি দাসত্বের বন্ধনে বাঁধা থাকে তাহলেও আমি স্বস্তি পাই না। এর অর্থ, আমাদের সমাজ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় কোনও গড়বড় আছে, আমাদের দেখতে হবে একটি শিশুও যেন অবহেলিত না হয়।’‌
সমাজের দরিদ্র শ্রেণি, মূলত ভারতে শিশু শ্রমিক, শিশু পাচার বা বাল্যবিবাহ রোখার তাঁর অসামান্য কাজের জন্যই ২০১৪ সালে তাঁকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করে নোবেল কমিটি। কারণ হিসেবে কৈলাস মনে করছেন, মহামারীতে কাজ হারানো পরিবারগুলি গ্রাসাচ্ছাদনের চেষ্টায় তাদের সন্তানদের দিয়ে রোজগারের পথ খুঁজবে। আর সেকারণেই স্কুলে পাঠানোর বদলে তারা সন্তানদের আয় করতে পাঠাবে। আর একবার এই ফাঁদে পা দিলেই কন্যাসন্তানদের দেহব্যবসায় ঠেলে দিতে পরিবারের সদস্যরা হয় বিক্রি করে দেবে নয়ত পরিবারের একটা মুখ কমাতে বাল্যকালেই বিয়ে দিয়ে দেবে। এই মাসেরর শুরুতেই কৈলাসের সংগঠন পুলিশের সাহায্যে পশ্চিম ভারতের একটি চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে বেশ কয়েকজন মেয়েকে উদ্ধার করেছে।    

জনপ্রিয়

Back To Top