আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নোভেল করোনাভাইরাস বা কনভিড–১৯–এ আক্রান্তদের জন্য যে হোটেলকে পৃথকীকরণ শিবির বা কোয়ারানটাইন ক্যাম্প করা হয়েছিল, তা ভেঙে পড়ে মৃত্যু হল চারজনের। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের পূর্বাংশে ফুজিয়ান প্রদেশের কোয়ানঝৌ–তে স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায়। এপর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ৪৩ জনকে। একথা জানিয়েছে চীনের জরুরি মোকাবিলা মন্ত্রক। এখনও কমপক্ষে ৭০ জন ধ্বংসস্তুপের তলায় চাপা পড়ে আছেন বলে প্রাথমিক অনুমান। মোট ১৪৭ উদ্ধারকারীদের দল জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। চীনের জাতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মাত্র দুবছর আগে চালু হয়েছিল ওই হোটেল। হোটেলের মালিককে জেরার জন্য তলব করেছে পুলিশ। উপকূলবর্তী শহর কোয়ানঝৌতেই শুধু ৪৮ জনের শরীরে কনভিড–১৯ ধরা পড়ায় তাঁদেরও ওই হোটেলে রাখা হয়েছিল।
এদিকে শুধু শনিবারই চীনে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জের। ফলে সারা দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০৯৭ জনে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন সূত্রে খবর, ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল, হুবেই প্রদেশের ইউহানে আরও ৪৪ জনের শরীরে ধরা পড়েছে ভাইরাস। শনিবার বাইরে থেকে চীনে যাওয়া যে তিনজনের শরীরে কনভিড–১৯ ধরা পড়েছে তাঁদের মধ্যে একজন হুবেই প্রদেশ, একজন বেজিং এবং একজন উত্তরপশ্চিম চীনের গানসু প্রদেশে আছেন।
সারা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে কনভিড–১৯–এ মৃতের সংখ্যা ৩৫০০ জনের বেশি এবং আক্রান্ত এক লক্ষাধিক। চীন ছাড়া ইটালিতে এই রোগের সংক্রমণ অত্যধিক হওয়ায় কড়া পদক্ষেপ করেছে ইটালি সরকার। উত্তরাংশের লম্বার্ডি অঞ্চল সহ মোট ১৪টা প্রদেশের ১৬ মিলিয়ন মানুষকে পৃথকীকরণ শিবিরে রাখা হয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তাঁদের কোয়ারানটাইন করেই রাখা হবে জানিয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী। ইটালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ জনের মৃত্যু হওয়ায় সেখানে মৃতের সংখ্যা ২৩০ জন। আক্রান্ত ৫৮৮৩ জন। আমেরিকায় কনভিড–১৯–এ মৃত্যু হয়েছে আরও ১৯ জনের। নিউ ইয়র্কের শনিবার আরও ২১ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পর সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কিউমো।
ছবি:‌ এএনআই    ‌

জনপ্রিয়

Back To Top