আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর। তবে পরিষেবা প্রদানকারী কোনও সংস্থার বিশেষ প্যাকেজ নয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে ব্যস্ত থাকলে মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে। আর এই মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকলে একাকীত্ব কেটে যায়। ‘সাইকোলজিক্যাল আউটকামস অ্যাসোসিয়েটেড উইথ এঙ্গেজমেন্ট উইথ অনলাইন চ্যাট সিস্টেম’ শীর্ষক এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ হিউম্যান কম্পিউটার স্টাডিজ’ জার্নালে। এই গবেষণাতে বলা হয়েছে, লেখা সম্বলিত মেসেজিং অ্যাপ, যেখানে গ্রুপ চ্যাট বা দলগতভাবে কথা বলার সুবিধে রয়েছে, তা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
এই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, প্রত্যেকদিন অনেক বেশি সময় এই অ্যাপ নিয়ে কাটালে একাকীত্ব কমে। আত্মসম্মান বোধ বাড়ে। বন্ধু, পরিবারবর্গের সঙ্গে দূরত্ব কমে এবং বন্ধন গভীর হয়। এজ হিল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লিন্ডা কায়ে বলেন, ‘‌এই অনলাইন চ্যাটে বেশি সময় কাটানো ভাল না খারাপ তাই নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে। তবে দেখা গিয়েছে এই সময় কাটানোর অভ্যাসটি ভাল। এতে সকলের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল হয়। যাঁরা অনেক বেশি সংখ্যক এমন দলের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের আত্মসম্মান যেমন বাড়ে, তেমনই সামাজিক কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি পায়।’‌
এই গবেষণাটির জন্য ২০০ জন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীকে নেওয়া হয়। এঁদের মধ্যে ১৫৮ জন মহিলা, ৪২ জন পুরুষ। এঁদের বয়স ২৪ বছরের কাছাকাছি। তাঁরা এই অ্যাপ দিনে অন্তত ৫৫ মিনিট ব্যবহার করেন। লিন্ডা কায়ে বলেন, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে ভাল করে। হারানো সম্পর্ক খুঁজে পেতে সাহায্য করে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top