আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফের বিশ্বের ত্রাতার ভূমিকায় ভারত। শূন্যের আবিষ্কার হয়েছিল যে দেশে সেই দেশই মিলল জলসংকট মেটানোর বীজ। আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী পরীক্ষা নিরিক্ষা করে জানিয়েছেন সজনে গাছের বীজ থেকে নাকি গোটা বিশ্বের জলসংকট নির্মূল হয়ে যেতে পারে।  ভারতেই একমাত্র সজনে গাছ দেখা যায়। বিজ্ঞানীদের দাবি সজনে গাছের বীজের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ এক জল পরিশোধন ক্ষমতা। যা সহজেই যেকোনও দূষিত জলকে পানীয় জলে পরিণত করতে পারে। 
বিজ্ঞানী স্টেফনি ভেলেগল পরীক্ষা করে দেখেছে, বালির মধ্যে সজনে গাছের বীজ রাখলেও সেটি বেড়ে ওঠে। বীজ নীজেই জল পরিশোধন করে বাঁচার যোগ্য পরিবেশ তৈরি করে নেয়। যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা হয় এফ–স্যান্ড। 
সজনে গাছের ফল এবং তেল পাওয়া যায়, যা বাজারে বিক্রি হয়। আর বীজ থেকে জল পরিশোধন করা যায়।

যে কাজটা সাধারণ ফিল্টার করে থাকে। সেটাই প্রাকৃতিক উপায়ে করে দেখায় সজনে গাছের বীজ। প্রচুর পরিমানে অর্গ্যানিক কার্বন থাকে এই বীজে যেটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাক্টেরিয়াকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। ভেলেগল এই বীজের প্রোটিন বের করে সেগুলিকে সিলিকার কনা দিয়ে কণা দিয়ে শোষণ করান। এই সিলিকা কনা থাকে বালিতে। এই পুরো প্রক্রিয়াটার তিনি নাম দিয়েছেন এফ–স্যান্ড। 
এই পদ্ধতিতে অনুজীব নাশ করে জলের অস্বচ্ছতা কমিয়ে দেয়। তারপরে জলের দূষিত পদার্থগুলি ধুয়ে বেরিয়ে যায়। পড়ে থাকে পরিস্রুত জল। এই পদ্ধতিতে দীর্ঘক্ষণ পরিস্রুত থাকে জল। অল্প খরচে জল পরিশোধনের এই প্রক্রিয়া সকলেরই আয়ত্তের মধ্যে। 
কাজেই যেসব এলাকার জল দূষিত, সেখানে সজনে গাছ লাগালে পরিশ্রুত পানীয় জল অনায়াসেই পেতে পারেন বাসিন্দারা। এই পদ্ধতিতে হাজারো এলাকার জলসংকট নিমেষে দূর হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top