আজকাল ওয়েবডেস্ক: নোবেলজয়ী ভারতীয় বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের নামে টেলিস্কোপ রয়েছে নাসার। সেই চন্দ্র টেলিস্কোপেই ধরা পড়ল ইউরেনাস থেকে আসা রঞ্জন রশ্মি বা এক্স রে। চন্দ্র এক্স রে অবজার্ভেটরির পাওয়া ছবি থেকে এই তথ্য উদ্ধার করেছেন আমেরিকা, ফ্রান্স, চীন এবং ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, রহস্যময় গ্রহটি সম্পর্কে আরও তথ্য জানা সম্ভব হবে এবার।
জ্যোতির্বিজ্ঞানী মহলে এই নিয়ে হইচই হওয়ার কারণ, এর আগে ইউরেনাস এবং নেপচুন থেকে কখনওই এক্স রে বেরতে দেখেননি তাঁরা। সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ ইউরেনাস বিশালাকার হিমশীতল এবং পুরোটাই হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। পৃথিবীর চারগুণ ব্যাস এটির এবং কোমরের কাছ ঘেঁষে দুটো বলয় রয়েছে। 
বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতি এবং শনি থেকে বিক্ষিপ্তভাবে এক্স রে ছড়ায় যা আসলে সূর্য থেকে আসা এক্স রে-কেই প্রতিফলিত করছে। এবার ইউরেনাসের ক্ষেত্রে প্রধানত সেটাই। প্রধানত বলার কারণ, নাসার অভিমত, ইউরেনাসের বলয় থেকেও এক্স রে উৎপন্ন হতে পারে এবং গ্রহটিকে বেষ্টন করে কাছাকাছিই রয়েছে ইলেকট্রন এবং প্রোটন। এই ইলেক্ট্রন এবং প্রোটন বলয়ের সঙ্গে সংঘাত ঘটিয়ে ঝকমক করে উঠছে এবং এক্স রে নির্গমন করছে। আবার পৃথিবীতে যেমন মেরুচ্ছটা দেখা যায়, ইউরেনাসেও হয়তো আলোচ্ছটা থাকতে পারে যা থেকে এক্স রে আসছে। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top