সংবাদ সংস্থা: কয়েকটা মুহূর্ত। তারপরেই পাল্টে গেল হিসাব নিকাশ। চাঁদের মাটি থেকে যখন ২ দশমিক ১ কিলোমিটার ওপরে ল্যান্ডার বিক্রম, ঠিক তখনই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের সঙ্গে। কোনও সাড়া নেই কন্ট্রোলরুমে। ইসরোর অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীরা বুঝেছিলেন কী হয়েছে। তবু তাঁরা মানতে পারছিলেন না যে, এত বছরের পরিশ্রম বিফল হয়েছে নিমেষে। সেই মুহূর্তে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবন। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি।
শনিবার  ইসরোর চন্দ্রাভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী পর্যন্ত। তাঁরা উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বিজ্ঞানীদের। ইসরোর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। এদিন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বলেন, নজিরবিহীন সাহস ও দায়বদ্ধতার প্রমাণ দিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। ইসরো ভারতের গর্ব। 
শুক্রবার রাতেই বেঙ্গালুরুতে ইসরোর কন্ট্রোলরুমে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।  অভিযানে প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলায় ফিরে যাওয়ার সময় ইসরোর বিজ্ঞানীদের মনোবল চাঙ্গা করতে প্রায় ২৫ মিনিট ভাষণ দেন তিনি। বলেন, ‘‌বর্তমান থেকে শিক্ষা নিলে আমাদের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হবে। মহাকাশ কর্মসূচি ও বৈজ্ঞানিকদের জন্য দেশ গর্বিত। সবচেয়ে ভালটা এখনও আসেনি। আমাদের নতুন দিগন্ত আবিষ্কার করতে হবে। গোটা দেশ আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।’‌
কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এদিন বলেন, ‘‌ইসরোর কাছে এবং যে চমৎকার লোকজনেরা সেখানে রয়েছেন, তাঁদের কাছে আমরা সবাই ঋণী। তাঁদের প্রয়াসে মহাকাশ অভিযানে শামিল দেশগুলির মধ্যে ভারত একটা জায়গা করে নিয়েছে।’‌
ইসরোর বিজ্ঞানীদের এদিন ধন্যবাদ জানিয়েছেন অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, রাহুল গান্ধী প্রমুখ।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top