আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভারতের এস্যাট পরীক্ষাকে মঙ্গলবার ‘‌ভয়ানক বস্তু’‌ বলে অভিহিত করল নাসা। নাসার তরফে জিম ব্রাইডেনস্টাইন আশঙ্কাপ্রকাশ করে বলেছেন, ভারতের ওই পরীক্ষার ফলে মহাকাশে ৪০০টি অবশিষ্ট টুকরো ছড়িয়ে পড়েছে, যা মহাকাশচারী এবং অন্য উপগ্রহের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। এপর্যন্ত নাসা ৬০টি টুকরো চিহ্নিত করেছেন। ব্রাইডেনস্টাইন জানালেন, ‘‌সব কটিই হয়ত বড় নয়। তবে এগুলির মধ্যে বেশ কিছু টুকরো ১০ সেন্টিমিটার বা তার থেকেও বড়। ধ্বংসাবশেষের ২৪টি টুকরো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উপরে উঠে আসছে। এটা মানুষের মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যতের পক্ষে কখনওই কাম্য নয়। এটা গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর প্রভাব কী হবে সে সম্পর্কে নাসা খুব পরিষ্কারভাবে জানতে চায়। কারণ ভারতের ওই পরীক্ষার পর ১০ দিনের মধ্যে আইএসএস–এর সংঘর্ষের আশঙ্কা সঙ্গে ৪৪ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

’‌ 
প্রসঙ্গত গত বুধবার সকালে মহাকাশে ৩০০ কিলোমিটার উচ্চতায় একটি স্যাটেলাইট পরীক্ষামূলকভাবে অ্যান্টি স্যাটেলাইট বা এস্যাট মিসাইল দিয়ে ধ্বংস করেছিল ইসরো। যেখানে ওই পরীক্ষা চালানো হয় তা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস এবং অন্যান্য দেশের উপগ্রহ থেকে অনেকটাই নিচে। আইএসএস এবং অন্য উপগ্রহর সঙ্গে অন্য কিছুর যাতে সংঘর্ষ না ঘটে সেজন্য মার্কিন সেনা সর্বক্ষণ নজর রেখে চলেছে মহাকাশে। এপর্যন্ত ১০ সেন্টিমিটার বা তার থেকেও বড়, এধরনের ২৩০০০টি টুকরো বা বস্তু তারা চিহ্নিত করেছে। তার মধ্যে ১০০০০টি শুধুই মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ। ওই ১০০০০–এর মধ্যে ৩০০০টি টুকরো ২০০৭–এ চীনের করা এস্যাট পরীক্ষার ধ্বংসাবশেষ।                  

জনপ্রিয়

Back To Top