আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌মহাকাশের পর এবার মহাসমুদ্রেও পাড়ি দেওয়ার কথা ভাবছে ভারত। ২০২১–২০২২ সালের মধ্যে এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে জাতীয় সমুদ্র বিজ্ঞান কেন্দ্র (‌‌এনআইওটি)। চন্দ্রযান–গগনযানের পর এবার গভীর মহাসাগরে পাড়ি দিতে সমুদ্রযান পাঠানোর কথা ভাবছে ‌এনআইওটি যা সমুদ্রের তলদেশ থেকে খুঁজে আনবে খনিজ পদার্থ। এনআইওটি–র ডিরেক্টর এমএ আত্মানন্দ জানিয়েছেন, ‘‌আমরা এমন একটি সমুদ্রযান বানানোর কথা ভাবছি যা সমুদ্রের গভীরে ছয় কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে খনিজ পদার্থের খোঁজ করতে পারবে।’‌
গভীর সমুদ্রে খনিজ পদার্থের খোঁজ চালানোর পাশাপাশি খোঁজ করা হবে অদ্ভুত অদ্ভুত সামুদ্রিক প্রাণীর যা নিয়ে পরবর্তীকালে গবেষণাও করা হবে। আত্মানন্দ জানিয়েছেন, ‘‌এমন সমুদ্রযান আমাদের দেশেই তৈরি করা হবে সমুদ্রের তলদেশে প্রায় ৭২ ঘন্টা থেকে খনিজ পদার্থের খোঁজ চালাতে পারবে। এই সমুদ্রযানটি ৬০০০ মিটার গভীরে যেতে পারবে সেখানে সাধারণ সাবমেরিনগুলি মাত্র ২০০ মিটার গভীরে যেতে পারে। সমুদ্রযানটি বানাতে খরচ পড়বে ২০০ কোটি টাকা। যানটি তিনজন যাত্রী নিয়ে জলের গভীরে পাড়ি দেবে। সরকার আশ্বাস দিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে সমুদ্রে বিরল খনিজ পদার্থের খননকার্য চালাতে ১০০০০ কোটি টাকাও খরচ করতে রাজি সরকার।’ ‌
সূত্রের খবর, মধ্য ভারত মহাসাগরে প্রায় ৭৫০০০ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে খনিজ পদার্থের খোঁজ চালানোর অনুমতি পাওয়া গিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সিবেড অথরিটির থেকে। ওই অঞ্চলেই রয়েছে ৩৮০ মিলিয়ন টনের মতো খনিজ পদার্থ। তার মধ্যে রয়েছে ৪.‌৭ মিলিয়ন টন নিকেল। ৪.‌২৯ মিলিয়ন টন তামা। ৯২.‌৫৯ মিলিয়ন টন ম্যাঙ্গানিজ।   ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top